স্কুল-কলেজ খু’লে দেয়ার তারিখ ঘো’ষণা

স্কুল-কলেজ আগামী ২৩ মে খু’লে দেয়া হবে বলে জা’নিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। চলমান মহা’মা’রি করো’না ভা’ইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মা’র্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ রয়েছে। আগামী ৩০ মা’র্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খু’লে দেওয়ার কথা ছিল। তবে তা আর হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (২৫ মা’র্চ) বঙ্গব’ন্ধু এভিনিউয়ে গ’ণহ”ত্যা দিবসের আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জা’নান। এ সময় করো’না সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থীদের স্বা’স্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়েই এমন সিদ্ধা’ন্ত নেওয়া হয়েছে বলে জা’নান দীপু মনি।

এর আগে, বুধবার (২৪ মা’র্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শবে বরাতের সরকারি ছুটি ২৯ মা’র্চের পরিবর্তে ৩০ মা’র্চ নির্ধারণ করার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এদিন খুলছে না। বিষয়টি নিয়ে দু-একদিনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের স’ঙ্গে আলোচনা করা হবে। ৩০ মা’র্চ ছুটি ঘো’ষণা করে মাউশিকে বিজ্ঞপ্তি প্র’কাশ ক’রতে বলা হবে।

ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সুর’ক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধা’ন্ত নেওয়া হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ঘো’ষণা দেওয়া হবে বলেও জা’নান তিনি।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে জা’নিয়েছিলেন, আগামী ৩০ মা’র্চ দেশের সব স্কুল-কলেজ খু’লে দেওয়া হবে।

সেদিন তিনি বলেন, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ২৪ মে থেকে শুরু হবে এবং হল খুলবে ১৭ মে। এর আগে সব ধ’রনের পাঠদান ও পরীক্ষা ব’ন্ধ থাকবে। ১৭ মে এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ক’র্মচারীদের করো’না টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় খোলার স’ঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্ধারণ করা হবে।

গত বছরের ১৭ মা’র্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘো’ষণা করা হয়। গত ২২ জানুয়ারি করো’না প’রিস্থিতিতে স্বা’স্থ্যবিধি নি’শ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে গাইডলাইন প্র’কাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।

এ গাইডলাইন অনুসরণ করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্র’স্তুতি নিতে বলা হয়। স্কুল-কলেজগুলোতে ৩৯ পাতার গাইডলাইন পাঠিয়ে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুলগুলো প্র’স্তুত করে রাখতে, যাতে যে কোনো মুহূ’র্তে সেগুলো খু’লে দেয়া যেতে পারে।

করো’না ভা’ইরাস প’রিস্থিতির কারণে গোটা বিশ্বকে নানা চ্যালেঞ্জ মো’কাবিলা ক’রতে হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের এই প্রতিকূল স্রোতের মু’খোমুখি বাংলাদেশও। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জে’র মতো বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা খাত। প্রায় ১২ মাস ধ’রে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ। কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে কার্যক্রম চলমান।

শেয়ার করুন