সোনামসজিদ বন্দরে ২৩১ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৪৫০ কোটি ৫৮ লাখ ৫১ হাজার টাকা। কিন্তু রাজস্ব আয় হয়েছে ২১৮ কোটি ৯৩ লাখ ৯ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩১ কোটি ৬৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা রাজস্ব আয় কম হয়েছে।

রাজস্ব আয় কম হওয়ার কারণে জানতে চাইলে সোনামসজিদ কাস্টমস, আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, শ্রমিক সমন্বয় ও পানামার নেতারা একবাক্যে জানান, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের অভাবে ভারত থেকে পণ্য আমদানি কমে গেছে।

যে কারণে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তা ছাড়া করোনাভাইরাসের কারণে গত এপ্রিল ও মে মাসে স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কোনো রাজস্ব আয় হয়নি।

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে অর্থবছরে প্রথম থেকেই আমদানি-রফতানি কম হওয়ার কারণে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

তা ছাড়া গত ২৮ অক্টোবর থেকে পেঁয়াজ আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় রাজস্ব আয় কমে যায় বলে কাস্টমস দফতর সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া সোনামসজিদে আমদানিকৃত পণ্যে শতভাগ রাজস্ব আদায় করার কারণে কিছু কিছু ফল আমদানিকারক অন্য বন্দর দিয়ে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় ওইসব বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করে।

সব স্থলবন্দরে সরকারের একই নিয়মে রাজস্ব আদায় করা হলে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হবে এবং রাজস্ব আয়ও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক গুণ বেশি হবে বলে সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি-রফতানি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম বাবু জানান।

তিনি আরও জানান, কোনো কোনো বন্দরে সুযোগ-সুবিধা বেশি পাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা ওই সব বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করেছেন।

এ ছাড়া সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পাথর আমদানির ক্ষেত্রেও মাঝেমধ্যেই জটিলতার কারণে আমদানি বন্ধ থাকে। এর কারণেও রাজস্ব আয় অর্জিত হয়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এই বিভাগের আরো খবর
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: