শিক্ষকদের গোপন কিছু দেখে ফেলায় ছাত্রকে খুন দেখুন ভিডিওটি

চট্টগ্রামের বোয়াখালীতে মাদ্রাসা থেকে মাশফিক নামে এক শিক্ষার্থীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার দুই শিক্ষকসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার ( ৫ মার্চ) পশ্চিম চরণদ্বীপ ইউনিয়নের অছিউর রহমান হেফজ খানার দ্বিতীয় তলার স্টোর রুম থেকে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাশফিকের বড় ভাই ইমতিয়াজ মালেকুল মাজেদ জানান, পাঁচ মাস আগে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর চরণদ্বীপ এলাকার আল্লামা শাহ অছিয়র রহমান মাদ্রাসার হেফজখানায় মাশফিকের ভর্তি করানো হয়। শনিবার সকালে মাদ্রাসা থেকে সে পালিয়েছে বলে জানান এক শিক্ষক। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ওই মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে থেকে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মাদ্রাসার শিক্ষকদের গোপন কোনো কিছু দেখে ফেলায় মাশফিককে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা ভাইয়ের।

ঘটনার পরই স্বজনরা মাদ্রাসাটি থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যায়। এ সময় অপর এক শিক্ষার্থীর বাবা সময় সংবাদকে জানান, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ওপর শিক্ষকরা অমানবিক নির্যাতন চালান। তার ছেলেকে মেরেও একই অবস্থা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

মাশফিকের মামা মাসুদ খান বলেন, ৫ মাস ধরে আমার ভাগিনা ওই মাদ্রাসায় ছিল। আজ সকালে মাদ্রাসার এক শিক্ষক বাড়িতে এসে জানায় মাশফি মাদ্রাসা থেকে পালিয়েছে। কিন্তু সে বাড়িতেও আসেনি। পরে তাকে খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম  বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মাশফির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। লাশের সুরতহাল করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

এদিকে,  চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরাজুল হক জানান, কী কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে এখনো কোনো কিছু বোঝা যায়নি। তবে, দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। মাদ্রাসার দুই শিক্ষকসহ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আল্লামা শাহ অছিয়র রহমান মাদ্রাসায় ৪৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.