শান্তিতে ও মানবিকতার জন্য সিঙ্গাপুর সরকারের নোবেল পাওয়া উচিত !

সিঙ্গাপুর নামটা এখন আমার কাছে আবেগ, অনুভূতি ও ভালোবাসার আরও একটি নাম। কখন যে সকল প্রবাসীর হৃদয় মাঝে জায়গা করে নিয়েছে,কখন যে সকল প্রবাসীর মনের মনিকোঠাই স্থান করে নিয়েছে তা নিজেই জানি না। আমার কাছে বিশ্ব মানবতার আরেক নাম হলো সিঙ্গাপুর। মাঝে মাঝে নিরবে চিন্তা করি সিঙ্গাপুরের সরকার ও তার সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রানালয়, ডাক্তার,নার্স,সহ সকল হেলথ কেয়ার ওয়ার্কার এবং ফ্রন্ট লাইনে থেকে কাজ করে যাওয়া কিছু মহানুভবদের কথা।

সরকারের সুদূঢ় পরিকল্পনা, মানবিকতা এবং অন্যান্যদের সৌহার্দপূর্ণ আচরণ সত্যিই আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, সারাবিশ্বে যে দেশগুলি আছে তাদের মধ্যে শান্তিতে ও মানবিকতায় সিঙ্গাপুর সবার শীর্ষে অবস্থান করছে। সিঙ্গাপুর তথা সিঙ্গাপুর সরকারের মানবিক কর্মকান্ড গুলি যদি পর্যালোচনা করি তাহলে সেটার গুনগান লিখে শেষ করা যাব’ো না।

প্রবাসী শ্রমিকদের কে যেভাবে সার্বিক সহযোগীতা সহ মূল্যায়ন করা হচ্ছে তা সত্যিই অকল্পনীয় এবং মনেকরি পৃথিবীর ইতিহাসে তা বিরল শান্তিতে ও মানবিকতার জন্য সিঙ্গাপুর সরকারের নোবেল পাওয়া উচিত। মহামারি করোনা ভাইরাসের এই ক্রান্তিলগ্নে সিঙ্গাপুর সরকারকতৃক গৃহিত যুগান্তকারী পদক্ষেপ গুলি সারাবিশ্বের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং ধারিত্রীর বুকে একটি বিস্ময়কর রোল মডেল হয়ে থাকবে মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবে সমগ্র বিশ্ব যেখানে স্তব্ধ আমাদের দৈনন্দিন জিবন যাত্রা যেখানে বিপর্যস্ত ও বিপন্ন। সেখানে সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের সহযোগীতার জন্য সিঙ্গাপুর সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মিঃ লি সুয়েন লং মানবিক দূত হিসাবে আমাদের পাশে এগিয়ে এসেছেন।

মনটা উজাড় করে বাড়িয়ে দিয়েছেন তার মানবতার হাত। অধিকাংশ সিঙ্গাপুরিয়ান আমাদের কে সার্বিক সাপোর্ট ও সহানুভূতি দেখিয়েছেন। তাছাড়া হেলথ কেয়ার ওয়ার্কাররা আমাদের কে মানসিক ভাবে সাপোর্ট ও সেবা দিয়েছেন, পাশাপাশি ফ্রন্টলাইনে থেকে কাজ করা কিছু বীর করোনাকে ভয় না করে আমাদেরকে সর্বাক্ষনিক সহযোগীতা করেছেন শুরু থেকে। তাদের এই মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ সত্যিই আমাকে ভাবাই।তাদের কর্বত্যপরায়নতা থেকে আমাদের কে শিক্ষা নিয়ে জিবন পরিচালনা করা উচিত।

সিঙ্গাপুর সরকার থেকে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য নানান রকম সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি ছোট-বড় সকল এনজিও ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাগু’লি প্রবাসীদের জন্য তাদের সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। নিয়েছেন প্রবাসীদের ভালো লাগা, ভালো থাকার জন্য নানান রকম শিক্ষানীয় উদ্দ্যেগ।

অনেক কার্যকারী উদ্দ্যেগ ও পদক্ষেপের জন্য সিঙ্গাপুর বিশ্ব ইতিহাসে বিরল হয়ে থাকবে। আমি ধন্য আমি সিঙ্গাপুর প্রবাসী, আমি গর্বিত আমি সিঙ্গাপুর প্রবাসী। সিঙ্গাপুর হলো আমার আরেকটি পরিবার, আমার আরেকটি বাড়ি। যে সমস্ত সিঙ্গাপুরিয়ান বন্ধুরা আমাদের কে সার্বিক সহযোগীতা, স্নেহ,ভালোবাসা দিয়েছেন তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।আশাকরি প্রত্যেক প্রবাসী ভাইয়েরা আমার সাথে একমত পোষণ করবেন। ধন্যবাদ – জে এম জসিম সিঙ্গাপুর প্রবাসী।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এই বিভাগের আরো খবর
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: