ল’কডাউনে বাজারে না গিয়ে জাল ফেলেছিলেন বাড়ির পুকুরে, কিন্তু ঘটে গেল ম’র্মান্তিক প’রিণতি!

লকডাউনে বাজারে যাচ্ছেন না। পুকুরেই জাল ফে’লে ছিলেন। কিন্তু ঘ’টে গেল বিপত্তি। কই মাছ গলায় ঢুকে মৃ’ত্যু হল এক ব্য’ক্তির। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের আন্ধারিয়া এলাকার ঘ’টনা। মৃ’তের নাম তারাপদ মণ্ডল।পরিবার সূত্রে জা’না গিয়েছে, লকডাউনে বাজারে যাচ্ছিলেন না তারাপদ। বাড়ির পুকুরেই মাছ ধ’রছিলেন।

বুধবার ফের পুকুরে জাল ফে’লে ন। প্রথমে একটি কই মাছ জালে ওঠে। তারাপদ মাছটিকে জাল থেকে ছাড়িয়ে হাতে ধ’রে রাখেন।ফের পুকুরে জাল ফে’লে ন তিনি। জালে আরও একটি মাছ উঠলে কই মাছটিকে মুখে চে’পে ধ’রেন তারাপদ। আচ’মকাই কই মাছটি পিছলে মুখের ভি’তর ঢুকে যায়। গলার মাঝে আ’ট’কে যায় মাছটি।আশ’ঙ্কাজনক অব’স্থায় তাঁকে উ’দ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতা’লে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা মৃ’ত বলে ঘো’ষণা করেন।শ্বা’সনালীতে কই মাছটি আ’ট’কে যাওয়াতেই এই দুর্ঘ’টনা বলে চিকিত্সকরা জা’নিয়েছেন। দে’হটি ম’য়নাতদ’ন্তের জন্য পা’ঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃভা’রতের উত্তরপ্রদেশের এক যুবক পণ্যসামগ্রী কিনতে গিয়ে লকডাউনের ভেতরেই বিয়ে করে স্ত্রী’কে সঙ্গে করে ঘরে ফিরেছেন। উত্তরপ্রদেশের গজিয়াবাদের সাহিবাবাদে এমন কা’ণ্ড ঘটিয়েছেন গুড্ডু নামের এক যুবক।সংবাদ সংস্থা এএনআইকে গুড্ডুর মা জানিয়েছেন, লকডাউনে বের হলে পু’লিশি ঝামেলা পোহাতে হয়। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর লিস্ট করে তা কিনে আনতে ছে’লেকে মুদি দোকানে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সে ফিরে আসল নববধূ নিয়ে।

আমি এ বিয়ে মেনে নিতে রাজি নই। এভাবে আমাকে না জানিয়ে বিয়ে করে হুট করে বউ নিয়ে আসার কোনো মানে হয় না।জানা গেছে, সঙ্গে ম্যারেজ সার্টিফিকেট নেই বলে নববধূসহ ছে’লেকে বাসায় ঢুকতে দেননি সেই মা। উল্টো ছে’লের এমন কা’ণ্ডের জন্য থা’নায় গিয়ে অ’ভিযোগ করে এসেছেন।এ বিষয়ে গুড্ডু নামের ওই তরুণ বলেন, দুই মাস আগে হারদওয়ারের আর্য সমাজ মন্দিরে গো’পনে বিয়ে করেছিলাম আম’রা। ওই সময় পর্যাপ্ত সাক্ষীর অভাবে আম’রা বিয়ের সার্টিফিকেট পাইনি।

আমি আবারও হারদওয়ারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু লকডাউনের কারণে তা সম্ভব হয়নি। লকডাউন উঠে গেলেই সার্টিফিকেট নিয়ে আসব।বাজার করতে গিয়ে স্ত্রী’কে নিয়ে আসার কারণ জানাতে গিয়ে গুড্ডু বলেন, লকডাউনের সময় আমা’র স্ত্রী’ স্যাভিতা দিল্লিতে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি বাসার মালিক তাদের ফ্ল্যাট ফাঁকা করে দেয়ার নির্দেশ দেন। আর এ কারণে বাধ্য হয়েই বাসায় ফিরতে হয় তাদের।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এই বিভাগের আরো খবর
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: