রূপই কাল হলো প্রবাসীর স্ত্রী সোনিয়ার, দিতে হলো প্রাণ

শিক্ষকের উত্ত্যক্তে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করেছেন প্রবাসীর স্ত্রী। শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় উপজেলার কামালপুর গ্রামে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, কামালপুর গ্রামের নাজমুল ইসলাম গত প্রায় ৫ মাস পূর্বে সৌদি আরব গেছেন। ৫ বছরের শিশুকন্যা নিয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন স্ত্রী সোনিয়া খাতুন (২২)।

তাঁর সৌন্দর্যে অনেক আগে থেকেই মোহিত ছিলৈন একই গ্রামের শাকিল হোসেনের। কামালপুর গ্রামের মঙ্গল আলীর ছেলে শাকিল হোসেন (৪৫) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। সোনিয়া খাতুনের পরিবারের অভিযোগ, স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার পর থেকেই শাকিল হোসেন খুব বেশি উত্ত্যক্ত করছিলেন। মোবাইলে কল দিয়ে, মেসেজ দিয়ে, ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ও কল দিয়ে সব সময় জ্বালাতন করতেন।

প্রেমের প্রস্তাব দিতেন, এমনকি বিয়েও করতে চাইতেন। এ সব কথা শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে বলেও কিছু হয়নি। শাকিল হোসেনের পরিবার এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না সোনিয়ার শ্বশুরের পরিবারের।

এরই একপর্যায়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে ঘরের আড়ায় গলায় ওড়নায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন সোনিয়া। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাকিল হোসেন বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক। ৭/৮ বছর পূর্বে শেফালী খাতুন নামের পাঁচলিয়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ে করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.