রাস্তায় চলছে গণপরিবহন, নিয়ম মানছে না কেউ

রাস্তায় চলছে গণপরিবহন, নিয়ম মানছে না কেউ

বুধবার রাস্তায় চলতে শুরু করেছে গণপরিবহন। কিন্তু সরকারের বেধে দেওয়া নিয়ম মানছে না কেউ। অন্যদিকে অর্ধেক সংখ্যক গণপরিবহন চলায় দুর্ভোগে পড়েছেন জনসাধারণ। শিথিলতার পরে সরকার বলেছিল গণপরিবহন চলবে অর্ধেক। তবে সব আসনেই যাত্রী বসতে পারবে।

কিন্তু রাস্তায় চলবে অর্ধেক যানবাহন। দাঁড় করিয়ে কোনো যাত্রী নেওয়া যাবে না। সেইসঙ্গে গাড়ির স্টাফসহ সবযাত্রীকে অবশ্যই মাস্ক পরে যানবাহনে উঠতে হবে। কিন্তু রাস্তায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বেশিরভাগ বাসেই দেখা গেছে যাত্রীরা দাড়িয়ে আছে আসন না পেয়ে। অনেক জায়গায় মাস্ক ছাড়াই গাড়িতে চলাচল করতে দেখা গেছে। আবার যানবাহন কম থাকায় রাস্তায় জনসাধারণকে ভোগান্তিতেও পড়তে হয়েছে। অনেক দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও বাসে চড়তে পারছেন না।

এর আগে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করলে সবশেষ ২২ জুলাই সড়কে গণপরিবহন চলেছিল। সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব আসনে যাত্রী পরিবহণ করলেও মোট পরিবহণের অর্ধেক রাস্তায় নামবে। সড়কের পাশাপাশি বুধবার থেকে সারা দেশে রেল ও নৌ যোগাযোগও চালু হয়েছে। সোমবার রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। গণপরিবহন চালুর বিষয়ে সার্বিক নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)৷

নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে-

* আসন সংখ্যার অতিরিক্ত কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না এবং দাঁড়িয়ে কোনো যাত্রী বহন করা যাবে না। সড়ক পথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন (সিটি করপোরেশন এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার জেলা পর্যায়ে জেলাপ্রশাসক) নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে।

* আগের ভাড়ায় (৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া প্রযোজ্য হবে না) গণপরিবহন চলবে। অতিরিক্ত ভাড়া কোনোভাবেই আদায় করা যাবে না।

* গণপরিবহনের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার/কন্ডাক্টর, হেলপার-কাম ক্লিনার এবং টিকেট বিক্রয় কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিগণের মাস্ক পরিধান/ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

* যাত্রার শুরু ও শেষে যানবাহন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নসহ জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এছাড়াও যানবাহনের মালিকদের যাত্রীদের হাতব্যাগ, মালপত্র জীবাণুনাশক ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে।

* গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়াদি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বহার থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শেয়ার করুন