রমজানে অসহায় মানুষের পাশে শহীদ আফ্রিদি

এই রমজানে আপনি কি কোনো পরিবারকে সাহায্য করতে পারেন? মহামারি করোনাভাইরাসের এই সংকটে গৃহবন্দি হয়ে পড়া দিনমজুরদের সহায়তায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি।

পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়কের গড়া ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরেই অসহায় মানুষের সাহায্য করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র রজমানের এই রহমতের মাসে অসহায় দিনমজুরদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন আফ্রিদি।

শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন ইউকের এক টুইটে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, করোনার মধ্যেই আফ্রিদি নিজ হাতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দিচ্ছেন।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে এমন একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে- এই রমজানে আপনি কি কোনো পরিবারকে সাহায্য করতে পারেন? পুরো বরকতময় মাসজুড়ে পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য মাত্র ৩০ ডলারই যথেষ্ট। আমরা পাকিস্তানের সবচেয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের পরিবারগুলোতে তা পৌঁছে দিচ্ছি।

আরো পড়ুন – কবরীর জানাজা ও দাফনের স্থান নির্ধারণ

বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীকে রাজধানীর বনানী কব’রস্থান এলাকায় জানাজা শেষে সেখানেই দা’ফন করা হবে। শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে শাকের চিশতী।তিনি জানান, জানাজা শুরুর আগে বনানী ক’বরস্থানের সামনেই মুক্তিযো’দ্ধা এই অভিনয়শিল্পীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।

করো’নায় আ’ক্রা’ন্ত হয়ে ১৩ দিনের মাথায় শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ২০মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী। মৃ’ত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

কবরীর মৃ’ত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সিটি করপোরেশনের মেয়র, অভিনেতা-অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ শোক প্রকাশ করেন। গত ৫ এপ্রিল করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরপরই রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল কবরীকে।

পরে শা’রীরি’ক অবস্থার অবনতি ঘটলে ৮ এপ্রিল তাকে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখান চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিরবিদায় নিলেন এই কিংবদন্তি অভিনেত্রী।১৯৫০ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জন্ম নেওয়া কবরী ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে আবির্ভূত হন।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং’ ছবির নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। তারপর আর তাকে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শকদের মনে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। অভিনয় জীবনে নায়িকা হিসেবে কবরী শতাধিক সিনেমা করেছেন।

১৯৭৩ সালে ঋ’ত্বিক ঘ’টক পরিচালিত ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। নায়ক রা’জ্জাকের সঙ্গে ‘রংবাজ’ পায় বেশ জনপ্রিয়তা।১৯৭৫ সালে নায়ক ফারুকের সঙ্গে ‘সুজন সখী’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর কবরীকে আর পেছনে ফিরে দেখতে হয়নি।

এই সিনেমা দিয়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছে যান তিনি। পরবর্তীতে তিনি রাজ্জাক, সোহেল রানা, ফারুক, উজ্জ্বল, জাফর ইকবালের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কবরী। অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননাসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন