যে জায়গা থেকে গ্রে’ফতার হলেন মামুনুল হক

হেফাজত নেতা মামুনুল হককে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রে;ফতার করা হয়।

৩ এপ্রিল সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীসহ ধরা পড়ার পর থেকেই মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক।

ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রেখেছিল। এ ঘটনার পর হেফাজতের বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রে;ফ;তার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম ও ডিএমপির তেজগাঁও

বিভাগের যৌথ অভিযানে মামুনুল হককে গ্রে;ফ;তার করেছে। গ্রেফতারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তবে কোন মা;ম;লায় হেফাজত নেতা মামুনুল হককে গ্রে;ফ;তার করা হয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।

আগামী ২২ এপ্রিল থেকে মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবি

আগামী ২২ এপ্রিল থেকে সারাদেশের মার্কেট, দোকানপাট ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খু্লে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। আজ রোববার (১৮ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় তারা।

সারাদেশে মার্কেট ও দোকান খোলা রাখতে খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। এ তথ্য জানিয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন গতকাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দোকান মালিক সমিতিসহ ক্ষুদ্র

ব্যবসায়ীদের ২০টি সংগঠনের দাবি হলো, এ রমজানে পণ্য বিক্রির সুযোগ দেওয়া হোক। আমরা শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট ও দোকান খোলা রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এখন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি বিপদে আছেন। তাদের পাশে

দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। কারণ গত বছর বৈশাখ ও দুই ঈদে ব্যবসা হয়নি। যেটুকু সময় মার্কেট ও দোকান খোলা ছিল সে সময়টুকুতে বিকিকিনি তেমন ছিল না।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ পোশাক প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি আলাউদ্দিন মালিক বলেন, ‘গত বছর পয়লা বৈশাখ ও ঈদের সময় লকডাউনের কারণে কোনো পণ্য বিক্রি হয়নি।

এবার লকডাউনের কারণে যদি পণ্য বিক্রি করতে না পারেন তাহলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে। কর্মচারীতে পরিণত হবেন অনেক মালিক। তাই এ রমজানে ১৫ দিনের জন্য হলেও মার্কেট ও দোকান খোলা রাখতে চাই।’

শেয়ার করুন