যন্ত্রণাদায়ক দাদ থেকে নিস্তার মিলবে ঘরোয়া ৭ উপায়ে!

যন্ত্রণাদায়ক এক চর্মরোগ হলো দাদ। যে কোনো ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে হয় এই চর্মরোগ। গোল ফুসকুড়ির মতো হয়ে থাকে এটি। প্রচণ্ড চুলকানি ও যন্ত্রণাদায়ক দাদ হলে ওই স্থানের ত্বক বেশ মোটা হয়ে যায়। এক স্থান থেকে শরীরের অন্যান্য স্থানেও ছড়িয়ে পড়ে এটি।

তাই প্রাথমিক অবস্থায় দাদ সারিয়ে না তুললে এটি শরীরে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। যেহেতু এটি ছোঁয়াচে তাই একজনের থেকে অন্যজনের হতেও বেশি সময় লাগে না। দাদ হলে দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি কয়েকটি উপাদান ব্যবহার করে দ্রুত দাদ সারিয়ে তুলতে পারেন। জেনে নিন দাদ নির্মূলের কার্যকরী ৭ ঘরোয়া উপায়-

নিম পাতা জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। এক্ষেত্রে যদি নিম পাতা বেটে প্রতিদিন দাদের উপর লাগানো হয় তাহলে খুব দ্রুত এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

কর্পূর দাদ ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করতেই সাহায্য করে। এ ছাড়াও দাদের বিশ্রী দাগ দূর করে কর্পূরের দাগ।
দাদ যেহেতু একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন, তাই সংক্রমণ রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে নারকেল তেল। কারণ এতে থাকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপারটিস। এ ছাড়াও নারকেল তেল ত্বকের চুলকানি বা জ্বালা-পোড়া কমাতেও সাহায্য করে।

অ্যালোভেরাও কিন্তু দাদ নির্মূল করতে সক্ষম। ভালো কোনো আয়ুর্বেদিক ব্র্যান্ডের অ্যালোভেরা জেল নিয়মিত সংক্রামিত জায়গায় লাগান। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই দাদ সেরে যাবে।

অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণসমৃদ্ধ হলুদ ব্যবহারেও দাদ থেকে নিস্তার মিলবে। এজন্য হলুদ বাটা দাদের স্থানে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত হলুদ ব্যবহারে দ্রুত সারবে দাদ।

উচ্ছে যেমন স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। ঠিক তেমনই এর পাতাও উপকারী। জানেন কি উচ্ছে পাতা ব্যবহারেও সারানো যায় দাদ। নিম পাতার মতো উচ্ছে পাতাও বেটে নিয়ে নিয়মিত দাদ সংক্রামিত অংশে লাগান। কয়েকদিনের মধ্যেই এই ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাবেন।

দাদ সারাতে রসুনও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এজন্য দুই কোয়া রসুন থেঁতো করে দাদের উপরে নিয়ম করে লাগান। রসুন যে কোনো ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.