মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক, দেখা করার নামে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ

মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক, দেখা করার নামে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ

বন্ধুকে সাথে নিয়ে সিলেট নগরীর হোটেল সুফিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর প্রেমিক।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ববকান্দি গ্রামের মৃত হুদ খাঁর ছেলে কিশোরীর প্রেমিক জুয়েল খাঁ (২২) ও তার বন্ধু বরগাঁও গাজী মোকাম গ্রামের মৃত আহম্মদ মিয়ার ছেলে জুনেদ মিয়া (২৬)।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আলমগীর কবির।তিনি জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গ্রেফতারকৃতদের শনিবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হলে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে নবীগঞ্জের বরগাঁও এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

পুলিশ জানান, জুয়েল খাঁ’র সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাহুবলের ওই কিশোরীর সাথে তার পরিচয় হয়। কয়েক দিন যেতেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই প্রেক্ষিতে জুয়েল প্রেমিকাকে তার সাথে দেখা করতে সিলেট শহরে আসতে বলেন। এতে রাজি হন ওই কিশোরী। গত ৬ অক্টোবর বিকেল ৪টায় জুয়েল পানিউমদা থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা

পাঠায় প্রেমিকার বাড়ির পাশে। পরে ওই অটোরিকশায় করে সে পানিউমদা যায়। সেখান থেকে বাসে করে সে সিলেট পৌঁছায়। সিলেট নগরীর কদমতলী থেকে জুয়েল ও তার বন্ধু জুনেদ মিলে সিলেট শহরের তালতলাস্থ আবাসিক হোটেল সুফিয়ার দ্বিতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে কিশোরীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরদিন ৭

অক্টোবর সকালে ওই কিশোরীকে বাসে উঠিয়ে দুপুরে নবীগঞ্জের পানিউমদায় নামিয়ে দিয়ে জুনেদ মিয়া সটকে পড়েন। পরে প্রেমিকের প্রতারণা বুঝতে পেরে বিষয়টি স্বজনকে জানায় ওই কিশোরী। স্বজনরা বিষয়টি বাহুবল মডেল থানা পুলিশকে জানান।

শেয়ার করুন