মা অনেক কিছু শেখালেও তাকে ছাড়া কিভাবে বাঁচতে হয় সেটাই শেখাননি: রশিদ

আফগানিস্তা’ন ক্রিকেটের ‘পোস্টার বয়’ বলা যায় লেগস্পিনার রশিদ খানকে। রশিদের তারকা হয়ে উঠার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তার মায়ের। গত বছরের ১৮ জুন মাকে হা’রান রশিদ। মাকে ছাড়া এই প্রথম রমজান পালন করতে হচ্ছে তাকে। মাকে অনেক বেশি মিস করছেন তিনি।

শুক্রবার এক টুইটার বার্তায় রশিদ খান বলেন, ‘মাকে ছাড়া এটাই আমার প্রথম রমজান। তিনি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছেন কিন্তু তাকে ছাড়া কিভাবে বাঁচতে হয় সেটাই শেখাননি।

আমার মন এখনও তার সাথে কথা বলে, হৃদয় তাকে খুঁ’জে বেড়ায়। আমি জানি তিনি শা’ন্তিতে আছেন, তিনি আমার কাছে এই দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে বেশি মূল্যবান। আপনাকে ভালোবাসি ও অনেক মিস করি মা।’

রশিদ খান এর আগে অনেক সা’ক্ষাতকারে বলেছেন, তার মায়ের জন্যই আজ এতদূর তিনি আসতে পেরেছেন। তার ক্যারিয়ার গড়তে মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। রশিদ বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলছেন তিনি।

Read More – মালদ্বীপ প্রবাসীদের আইন মেনে চলার আহ্বান রাষ্ট্রদূতের

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বুধবার (১৪ এপ্রিল) দেশটির প্রসিকিউটর জেনারেল হোসাইন শামীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

দূতালায় জানায়, এ সময়ে ভ্রাতৃপ্রতিম দু’টি দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়।

আলোচনায় রাষ্ট্রদূত মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন আইনগত সুবিধা-অসুবিধার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলাদেশিদের মালদ্বীপের স্থানীয় আইন মেনে চলার পরামর্শ দেন।

এছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের চলমান মামলা সমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি ও বন্দিদের সাজা মওকুফের বিষয়ে অনুরোধ করা হয়। এ সময় প্রসিকিউটর মালদ্বীপের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানের প্রশংসা করেন।

উল্লেখ, বর্তমান রাষ্ট্রদূত মালদ্বীপে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে ভাতৃপ্রতিম দু’টি দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মালদ্বীপের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে আলোচনা করে যাচ্ছেন।

গত বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে পর্যটক শিল্প নিয়ে যে কাজগুলো হয়নি এখন সেই কাজগুলো করে যাচ্ছেন রাষ্ট্রদূত রিয়াল অ্যাডমিরাল মো. নাজমুল হাসান।

শেয়ার করুন