Breaking News

মাটির নিচে মিলল মদের কারখানা!

কয়েক হাজার বছর আগেকার পৃথিবীর জলছাপ এখনও লেগে রয়েছে আজকের ইজিপ্টের গায়ে। কিন্তু প্রাচীন মিশর শহর আজও প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে অপার বিস্ময়ের খনি। এবার সেখানকার মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেল বিপুল পরিমাণ মদের ভাণ্ডার।


রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাচীন মিশর শহর যা বর্তমানে ইজিপ্ট নামে পরিচিত। সেখানে মাটি খুঁড়ে সন্ধান মিলল বিপুল পরিমাণ মদের ভাণ্ডারের। যা দেখে চমকে গিয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগে মদ এভাবে তৈরি করে জমিয়ে রাখার ঘটনায় সাক্ষী হতে পেরে অভিভূত তারা। তাদের দাবি, এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন মদ তৈরির কারখানা।

তবে এই ঘটনাকে ঠিক অভূতপূর্ব বলতে পারছেন না তারা। কারণ এর আগেও ২০১৫ সালে মিশরে মদ তৈরির প্রমাণ মিলেছিল। বিভিন্ন মাটির ধ্বংসাবশেষ থেকে তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নি:সন্দেহে এই বিপুল পরিমাণ মদের কারখানা বিস্ময়কর। এবং তা অভূতপূর্বই।

সব মিলিয়ে আটটি বড় বিশেষ পাত্রে ওই মদ রাখা ছিল। একেকটি বিশেষ পাত্রে ৪০টি করে মদ রাখার পাত্র ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজিপ্টের যৌথ উদ্যোগে দেশটির অ্যাবিডোসে এলাকায় ওই খননকাজ চালানো হচ্ছিল।

খননকাজের প্রধান নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ম্যাথু অ্যাডামস জানানা, ‘সম্ভবত এখানে মদ তৈরি করা হত মিশরের রাজ পরিবারের অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য।’

শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইজিপ্টের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে এই আবিষ্কারের সম্পর্কে সকলকে জানানো হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা মনে করছে, যে আটটি বড় বিশেষ পাত্র মদ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। তা আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে মিশরের রাজা নার্মারের রাজত্বকালে ওই বিয়ার সংরক্ষিত হয়েছিল।

দেশটির সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই প্রথম এই কারখানার সন্ধান পাওয়া গেলেও বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিকরা এটি আবিষ্কার করেছিলেন। পরে আর সেই জায়গাটির হদিস পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এতদিনে এগুলোর সন্ধান মিলেছে। তবে কেবল এলাকাটি খুঁজে বের করা নয়, পাত্রগুলোকে খুলে তা পরীক্ষা করেও দেখা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Check Also

বরিশাল আসছেন মোদি

বাংলাদেশ সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বরিশাল সফর করতে পারেন, এ খবরে শুরু হয়েছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *