মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

নাটোরের গুরুদাসপুরের চাপিলা ইউনিয়নে কীটনাশক প্রয়োগে ৫ বিঘা পুকুরের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ১৬ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের খামারপাথুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুকুর মালিক আবদুল মান্নান বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ একই এলাকার মোহাম্মদ আলী বিশুর ৬ ছেলে, মোজাহিদ, রউফ, আব্দুল হাই, শফিকুল, সাইদুল, মোমিনসহ ১১ জনের নামে গুরুদাসপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের খামার পাথুরিয়া গ্রামের মৃত সায়েত আলীর ছেলে আবদুল মান্নান তার নিজস্ব ৫ বিঘার একটি পুকুরে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে রুই, কাতলা, সিলভার, ব্রিগেট, টেংরা, কালবাউস এবং দেশি পুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের চাষ করে আসছেন। মাছগুলো কিছুদিন পরই তিনি বিক্রি করতেন। বিষ প্রয়োগের ফলে সকালে সব মাছ মরে ভেসে ওঠে।

এ বিষয়ে মোজাহিদ ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, মাছ নিধনের বিষয়ে তারা কিছু জানেন না। এ ধরনের কাজ তারা করেননি। তাদের ফাঁসানোর জন্য এ অভিযোগ আনা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত আবদুল মান্নান জানান, শেষ রাতের দিকে অভিযুক্তরা দল বেঁধে এসে বিষপ্রয়োগ করতে থাকে। এ সময় তার পুকুর পাহারাদার মানা-নিষেধ করলে তাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিলে জীবনের ভয়ে সে চুপ থাকে। পরে পুকুরে বিষপ্রয়োগ করে খুন-জখমের ভয়-ভীতি দেখিয়ে তারা চলে যায়। আর কয়েকদিন পরই মাছগুলো তিনি বাজারে বিক্রি করতে পারতেন বলেও জানান।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, বিষপ্রয়োগে মাছ নিধনের বিষয়ে ভুক্তভোগীর এজাহার পেয়েছি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এই বিভাগের আরো খবর
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: