মাকে বসিয়ে রেখে অন্য কক্ষে মেয়েকে কী করলেন বিস্তারিত দেখুন

লক্ষীচন্দ্র শীল। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে একই গ্রামের এক কি’শোরীকে ঝারঁফুকঁ দিয়ে চিকিৎসার অজুহাতে বাড়ির পেছনের কক্ষে নিয়ে যান লক্ষীচন্দ্র। এতে সামনের কক্ষে থাকা কি’শোরীর মায়ের

স’ন্দেহ হয়। কিছুক্ষণ পর তিনি পেছনের কক্ষে গিয়ে দেখেন তার মেয়েকে মুখ চে’পে ধরে ধ’র্ষণের চেষ্টা করছেন লক্ষীচন্দ্র। এ সময় কি’শোরী ও তার মা চি’ৎকারে আশপাশের লোজন এগিয়ে আসলে লক্ষীচন্দ্র শীল

পাালিয়ে যান। ঘটনা জানাজানির পরপরই লক্ষীচন্দ্রের ভাই ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবি চন্দ্র শীলের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক ভু’ক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে এবি’ষয়ে কোথাও কোন অ’ভিযোগ দিলে

প্রা’ণনা’শের হু’মকি দেন। বিবিচিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নওয়াব হোসেন নয়ন খান বলেন, ঘটনার পরে ইউপি সদস্য ছত্তার মল্লিক, রিয়াজ হোসেন, আলমগীর হোসেন ও বেতাগী থানার এস আই আমিনুল

ইসলামসহ কয়েকজন ভু’ক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। বিচারের জন্য বৈঠকে বসলেও লক্ষীচন্দ্র শীল ও তার ভাই রবিচন্দ্র শীল সেখানে না আসায় বিচার করা সম্ভব হয়নি। এখন থানা আছে, পুলিশই

বিচার করবে। বেতাগী থানার ওসি সখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, শনিবার ভু’ক্তভোগীর বাবা ও মা থানায় এসেছিল লিখিত অ’ভিযোগ নিয়ে। অ’ভিযোগপত্রটি কাঁটাছেঁড়া থাকায় কম্পোজ করে রোববার জমা দেবেন বলেছেন। অ’ভিযোগ পেলে আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।

শেয়ার করুন