ভোজ্যতেল কেনাবেচায় নতুন সিদ্ধান্ত

ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে যখন সারা দেশ তোলপাড়। তখন দাম বৃদ্ধির পেছনে থাকা থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে ব্যবসায়ীদের কণ্ঠেই। একদিকে সরবরাহ বন্ধ রেখে মুল কারসাজিতে রয়েছে মিলাররা, অন্যদিকে দাম বাড়াতে ঘি ঢালছে কিছু অসাধু ডিলাররা ।

আর এ জন্য আগামী শুক্রবার থেকে ভোজ্যতেল কেনাবেচায় পাকা রশিদ ছাড়া কোনো ব্যবসা করা যাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। দেশে রমজান পর্যন্ত চাহিদা মেটাতে দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত আছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (৮ মার্চ) খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের নিয়ে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক সভায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এএইচএম সফিকুজ্জামান বিষয়টি এ কথা জানান। সভায় ভোক্তা অধিদফতরের ডিজি বলেন, রমজান পর্যন্ত চাহিদা মেটাতে দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত আছে।

সংকটের ধোঁয়াশা সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া দেশে ভোজ্যতেলের দামের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকারের বিভিন্ন দফতর। তখন ব্যবসায়ীদের মুখেই উঠে আসছে মিল কর্তৃক কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অবস্থা।

বিপণন ব্যবস্থায় কারো অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না জানিয়ে ভোক্তা অধিদফতর জানিয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল মজুত থাকলেও কৃত্রিম সংকট বানিয়ে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে।

সভায় পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আর আগামীকাল বুধবার (৯ মার্চ) মিল মালিক, পাইকারী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের পর এবারের সংকট শক্তহাতেই মোকাবিলা করা হবে বলে জানায় ভোক্তা অধিদফতর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.