বরের মুখে এমন কথা শুনে অ’বাক মে’য়ের বাবা সাথে সকল আত্মীয়-স্বজন

আপনারা সবাই জানেন যে বড়লোকদের আজকাল বিয়ের কাজ কর্ম বড়ই যাক জমকের সাথে হয়।

যৌতুকের কারণেও যেখানে মেয়েদের আত্মত্যাগ করতে হবে সেই জায়গা স’ম্পর্কে আপনাদের একটি তথ্য দিতে যাছি, আপনি নিশ্চয়ই অনেক ঘটনা দেখেছেন বা শুনেছেন যে ক্ষেত্রে যৌতুক বা যৌতুকের কারণে মেয়ের বিয়ে ভেঙে গিয়ে তার জীবন নষ্ট হয়েছে বা অনেক মেয়ের বিয়ে যৌতুক নিয়েই হয়েছে।

যৌতুক দিতে না পাড়ায় শ্বশুরবাড়ির কারণে মেয়েটিকে ঘর থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।এমনই খবর প্রতিদিন খবরে আসে, খবরটি শুনে আপনি নিশ্চয়ই বেশ অ’বাক হয়েছেন।

প্রকৃতপক্ষে, আজ, আম’রা আপনাকে যে বিষয়ে তথ্য দিতে যাচ্ছি, এই ঘটনাটি পুরো দেশের জন্য উদাহ’রণ হিসাবে নজির গড়েছে , আম’রা যে ঘটনাটির কথা বলছি, সেটি হরিয়ানার ঘটনা, যেখানে সম্প্রতি বিয়ের ঘটনাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে যায় ।

লোকেরা প্রশংসায় পঞ্চ’মুখ । বিশেষত বিয়ের আগে বরের পক্ষ থেকে যে দাবি করা হয়েছিল সে স’ম্পর্কে, বলা হচ্ছে যে এখন সমাজকে এই বিষয়গু’লিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত । এই ঘটনাটি শুনলে আপনিও বেশ অ’বাক হবেন, হ্যাঁ, কারণ এই বিবাহটিতে বর মাত্র 1 টাকার যৌতুক নিয়েছে ।

আপনারা সকলেই সঠিকভাবে শুনছেন, এই বিবাহটি মাত্র 1 টাকার যৌতুক নিয়ে সম্পন্ন হয়েছে কারণ এই বিবাহে কোনও জাকজমক ছিল না । এই বিয়েতে ছিলনা কোন বিশেষ আয়োজন।

কেবল বর নিজেই একটি বরাতকে আত্মীয়-স্বজন নিয়ে নিয়ে আসা হয় এবং তিনি কোনও যৌতুক বা নগদ অর্থ ছাড়াই বিয়ে করেন।বিয়ের পরে এই দুই দম্পতির বিয়ের কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাই’রাল হচ্ছে। পাওয়ার পর দম্পতি বিদেশে বিয়ে করার শুভেচ্ছা।

আসলে, বিবাহ হরিয়ানার সিরসার আদমপুর অঞ্চলে হয়েছিল, যা পুরো সমাজের জন্য একটি নতুন বার্তা রেখে গেছে, বর বলেন্দ্র বিয়ের আগে তার শর্ত রেখেছিল যে তিনি যৌতুক নেবেন না বা কোনও প্রকার বাড়াবাড়ি করবেন না।

কেবল এগু’লিই নয়, বরযাত্রী উত্সাহগু’লিতে উত্সাহিত করবে না বা ব্যয় করবে না, বর এমনকি এও বলেছে যে সে তার মেয়েকে এই উপহার দিয়েছে, এই কনেকে এবং তার পরিবারকে রাজি হয়েছিলেন, প্রথমে কনের পরিবার বরকে যৌতুক হিসাবে চার কোটি টাকা দিতে যাচ্ছিল কিন্তু বর বলেন্দ্র যখন তার কিছু আত্মীয়দের সাথে বরযাত্রী নিয়ে এলেন, তখন তিনি উপহার হিসাবে আরও চেলেন 1টাকা হ্যা মাত্র 1 টাকা এবং বর বলেন্দ্র কন্যা দায় গোস্ত পিতাকে ব্লেম আপনার মেয়েই আমা’র কাছে সবচেয়ে বড় সম্পদ।

আশীর্বাদ করুন আম’রা সুখী হতে পারি। শান্তিপূর্ণভাবে কোনো দাবিদাওয়া ছাড়াই এই বিয়ে সম্পুর্ন হয়। ব্যান্ড বাজিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে আনন্দের মাধ্যমে পিতা তার কন্যা কে নববরের সাথে শশুর বাড়ি রওনা করে দেন। এই বিবাহের অনুষ্ঠানে স্থানীয় লোকেরা বলেছে যে সমাজের প্রতিটি পরিবার যদি এই ধরনের উদ্যোগ নেয় তবে কেবল পরিস্থিতির উন্নতি হবে না তার সাথে সমাজের আসবে সু ব্যাবস্থা । তবে কন্যাদের লেখাপড়ার দিকেও বেশি নজর দেওয়া যেতে পারে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এই বিভাগের আরো খবর
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: