প্রথম বিয়ে গো’পন করে কু’মারী সেজে দ্বিতীয় বিয়ে, স্বামী জা’নতে পারলেন ৫ বছরের স’ন্তান আছে মৌসুমির

সিলেটের আ’মেরিকান কন্যা মৌসুমীর বিয়ে-প্র’তার’ণা নিয়ে মা’মলা হয়েছে। নিজেকে ‘কুমা’রী’ দা’বি দ্বিতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন তিনি। এরপর নানা টা’লবাহা’না করে স্বামীর কাছ থেকে ২১ লাখ টাকার মালামাল হা’তিয়ে নিয়েছেন।

এদিকে- প্রথম স্বামীও প্র’তার’ণায় পড়ে তার বি’রু’দ্ধে মা’মলা দায়ের করেছিলেন। পু’লিশ জানিয়েছে- দ্বিতীয় স্বামীর মা’মলা’টি ত’দন্ত করা হচ্ছে। আ’মেরিকান কন্যার পুরো নাম শারমিন সুরভী মৌসুমী। পিতা-মাতা সহ সবাইকে নিয়ে তিনি বসবাস করেন আ’মেরিকায়। ২০১২ সালে প্রথম বিয়ে হয়েছিল এক চিকিৎসকের সঙ্গে।

রয়েছে ৫ বছর বয়সের ফুটফুটে পুত্র সন্তান। সবকিছু গো’পন রেখে কুমা’রী সেজে ২০২০ সালে করেছেন দ্বিতীয় বিয়ে। তার দ্বিতীয় স্বামী সিলেটের গো’লাপগঞ্জ ভাদেশ্বর দক্ষিণভাগ গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের ছে’লে জাকের আহম’দ। তিনি বাদী

হয়ে চলতি মাসেই মা’মলা দায়ের করেন সিলেটের এয়ারপোর্ট থা’নায়। মা’মলার আ’সামিরা হলেন- জৈন্তাপুর থা’নার নিজপাট চুনাহাটি গ্রামের মৃ’ত আব্দুর রহিমের ছে’লে রফিকুর আর এমএ মুনিম, তার স্ত্রী’ ই’মামা বেগম চৌধুরী ও

আ’মেরিকান কন্যা শারমীন সুরভী মৌসুমী। জাকের আহম’দ তার মা’মলায় উল্লেখ করেন, তিনি সাইপ্রাস প্রবাসী। দেশে এলে ২০২০ সালের ১৫ই জানুয়ারি ইস’লামী শরীয়াহ্‌ মোতাবেক সিলেট নগরীর হাউজিং এস্টেট ৭ নম্বর লেনের ৫৬ নম্বর

বাসায় মৌসুমীর সঙ্গে বিয়ে হয়। তখন কন্যার বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজন সবাই উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের ১৩ দিন পর মৌসুমী তার মা-বাবাকে নিয়ে আ’মেরিকা চলে যান। তখন বরের পিতা-মাতাকে বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে জাকেরকে আ’মেরিকা নিয়ে যাওয়া হবে।

আ’মেরিকা যাওয়ার পর মৌসুমী ফোনে ও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন জাকেরের সঙ্গে। গত ২১শে নভেম্বর মৌসুমী ফোন করে জাকেরকে বলেন তোমাকে আ’মেরিকা আনতে হলে ২৫ লাখ টাকা লাগবে বলে স্বামীকে

জানান। এতে টাকা দিতে রাজি হননি জাকের। পরে মৌসুমী ২৫শে নভেম্বর ফোন করে দ্বিতীয় স্বামীকে বলেন- দেশে এলে তাকে নিয়ে উপশহরে বাসা ভাড়া করে থাকতে হবে। সে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকবে না। এই কথায় রাজি হননি জাকের। তখন মৌসুমীর মা ফোনের মাধ্যমে বলেন- তার মে’য়ের কথা না শুনলে, বিয়ের স’ম্প’র্ক রাখা যাবে না। এ

দিকে- মৌসুমী তার পরিবারের এ ধরনের কথা বার্তায় র’হস্য দেখা দেয় জাকেরের পরিবারে। তারা গত ২৮শে ডিসেম্বর

আ’মেরিকান কন্যার গ্রামের বাড়ি জৈন্তাপুরে গিয়ে আ’সামিপক্ষ বিষয়টি অনুস’ন্ধান করেন। তখন জানতে পারেন মৌসুমীর মা-বাবা ২০১২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর মৌলভীবাজার জে’লার কুলাউড়া থা’নার পৃত্থিমপাশা সুজা’পুর গ্রামের মো. শফিক মিয়ার ছে’লে ডা. মো. ফরিদ আহম’দের সঙ্গে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর ২০১৫ সালের ৩রা মা’র্চ এক পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করেন। খবর পেয়ে প্রথম স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন দ্বিতীয় স্বামী। তখন বেরিয়ে আসে চ্যা’ঞ্চল্যকর তথ্য। তখন প্রথম স্বামী জানান- তার সঙ্গে বিয়ের পর ২০১৮ সালের ১৯শে জুলাই মৌসুমী বাদী হয়ে মোহরানার জন্য সিলেটের জৈন্তাপুর পারিবারিক আ’দালতে দাখিল করেন। যা গত বছরের ১৫ই

মা’র্চ সোলেনামা দাখিলের মাধ্যমে নিষ্প’ত্তি হয়। মৌসুমী ও তার পিতা-মাতা প্র’তার’ক। জাকের তার মা’মলায় আরও উল্লেখ করেন, তার সঙ্গে মৌসুমীর বিয়ের জন্য উভ’য়পক্ষের আলোচনায় ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণ ও দেনমোহর বাবদ ৬ লাখ

টাকা মু’আজ্জল রেখে কাবিন সাব্য’স্তে বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের কাবিননামা তুলে দেখা যায়- সেখানে ২১ লাখ টাকার কাবিননামা ও ১ লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার বাবদ পরিশো’ধ দেখানো হয়েছে। তাছাড়া প্রথম বিয়ে গো’পন রেখে ‘কুমা’রী’ সেজে বিয়ে হয়েছে।

যা প্র’তার’ণার আশ্রয় নিয়ে বিশ্বা’স ভ’ঙ্গ করা হয়েছে। মা’মলার বাদী জাকের আহম’দ জানিয়েছেন- তার বিশ্বা’স ভ’ঙ্গ করে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার আ’ত্মসা’ৎ এবং প্রথম বিয়ে গো’পন করেন মৌসুমী। তিনি বিয়য়টি জানতে পেরে সিলেটের অ’তিরিক্ত মুখ্য হাকিম আ’দালতে মা’মলা দাখিল করেন। আ’দালত মা’মলা’টি গ্রহণ করে এফআইআর গণ্যের আদেশ

প্রদান করেন। মা’মলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুর রহমান আফজাল জানান, প্রথম স্বামীর সঙ্গে মা’মলা চলাকালীন সময়ে এবং প্রথম বিয়ে গো’পন রেখে জাকেরকে বিয়ে করেন মৌসুমী। এ ঘটনায় আ’দালতে মা’মলা দাখিল

করলে আ’দালত তা গ্রহণ করে এফআইআর গণ্যে প্রেরণের জন্য এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থা’না পু’লিশকে নির্দেশ প্রদান করেন। ফলে এয়ারপোর্ট থা’নায় গ্রহণ করেন। এয়ারপোর্ট থা’নার ওসি খান মুহাম্ম’দ মাইনুল জাকির জানান, আ’দালতের নির্দেশ মতো মা’মলা’টি রের্কড করা হয়েছে। মামালা’টি বর্তমানে ত’দন্তাধীন।

শেয়ার করুন

Check Also

ক্রাশের নাম সবাইকে জানিয়ে দিলেন শ্রাবন্তী

লাখো পুরুষ পাগল তার জন্য। তার প্রেমের গল্প ছড়িয়ে আছে ইন্ডাস্ট্রিজুড়ে। তিনবার বিয়ের কারণে কটাক্ষও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *