পরীমনির বাসা থেকে জ’ব্দ সেই ম’দের বোতলে প্রায় ৯০ ভাগই পানি

পরীমনির বাসায় ঢুকলে যে কেউ প্রথম দফায় চ’মকে উঠতেন এক সময়। সারি সারি বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ডের ম’দের বোতল সাজানো দেখে মনে হবে পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো বিলাসবহুল বারে ঢুকে পড়েছেন আপনি। এ ফ্ল্যাটে ঢুকে আপনি বার বা যাই মনে করেন না কেন, জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসার চিত্রটা এমনই ছিল।

চিত্রনায়িকা শামসুন নাহার স্মৃ’তি ওরফে পরীমনির বনানীর বাসা থেকে র‌্যা’­ব বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাড়ে ১৮ লিটার ম’দ জ’ব্দ করার কথা জানিয়েছিল। মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জ’ব্দকৃত এসব তরলের বড় অংশই ছিল পানি। অ্যালকোহলের পরিমাণ ছিল ১১ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত। যদিও মা’মলায় এর কয়েক গুণ অ্যালকোহল থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

আ’দালত সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পরীমনির বি’রুদ্ধে মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মা’মলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আ’দালতে পু’লিশের অ’প’রাধ ত’দন্ত বিভাগের (সিআইডি) দেওয়া অ’ভিযোগপত্র ও অন্যান্য নথি পড়ে দেখা গেছে, গত ৪ আগস্ট পরীমনির বাসায় র‌্যা’­ব–১ যখন তল্লা’শি চালায়, তখন সেই দলের একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন আনসার সদস্য মমতাজ বেগম।

তিনি মা’মলার জ’ব্দতালিকার সাক্ষীও। তবে ১৬১ ধারায় দেওয়া জবানব’ন্দিতে মমতাজ বেগম বলেছেন, অ’ভিযানের সময় তিনি পরীমনি যে ভবনে ছিলেন, সেই ভবনের নিচতলার গ্যারেজে ছিলেন। ‘স্যাররা’ উপরে উঠেছিলেন।

মমতাজ বেগম বুধবার রাতেও নিশ্চিত করেছেন, অ’ভিযানের পুরো সময় তিনি গ্যারেজে ছিলেন। আলামত জ’ব্দ করার পর তিনি সেগুলো দেখতে পান।

ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত কেউ জ’ব্দতালিকার সাক্ষী হতে পারেন কি না জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, কোনোভাবেই পারেন না। ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায় এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে।