পদ্মা সেতুর পিলারে ফের ফেরির ধা,ক্কা, ২ প্রাইভেট ক্ষ,তিগ্র,স্ত

পদ্মা সেতুর পিলারে ফের ফেরির ধা,ক্কা, ২ প্রাইভেট ক্ষ,তিগ্র,স্ত

পদ্মা সেতুর পিলারে ফের ফেরির ধাক্কা লেগেছে। আজ সোমবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাবাজার থেকে ছেড়ে আসা ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা লাগে। এতে ফেরিতে থাকা ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গেছে, মাদারীপুর জেলার বাংলাবাজার ঘাট থেকে যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে আসছিল ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে ফেরিটি পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে আঘাত হানে। ফেরি ও পিলারের সাথে ধাক্কা লাগায় একটি ট্রাক ছিটকে পরেছে দুটি প্রাইভেট কারের উপর। এ সময় ফেরিতে থাকা ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

বিআইডিব্লউটিসির মেরিন অফিসার আহম্মদ আলী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এতে ফেরিতে থাকা দুইটি প্রাইভেটকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে ২৩ জুলাই পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে ‘শাহজালাল’ নামের একটি রো রো ফেরির সংঘর্ষ হয়। এতে ফেরিটির অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হন।

অন্যান্য – ‘আমি ব্যর্থ বলেই বাবা-মায়ের কবরে শ্মশানের মাটি’

আমি একজন ব্যর্থ সন্তান। আমি আমার বাবা-মা, ভাই, স্বজনদের কবরগুলোও রক্ষা করতে পারিনি। আমি ব্যর্থ বলেই শ্মশানের মরদেহ পোড়া মাটি দিয়ে আমার বাবা-মায়ের কবর ভরা হয়েছে।’নিজের স্বজনদের কবরের সামনে কথাগুলো বলেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

সোমবার (০৯ আগস্ট) দুপুরে শহরের মাসদাইর এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন কেন্দ্রীয় কবরস্থানে কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন তিনি। স্বজনদের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে দোয়া করেন এবং দুই হাত তুলে ক্ষমা চান।

অভিযোগ উঠেছে, কেন্দ্রীয় শ্মশানের মরদেহ পোড়ানো ছাই ফেলা পুকুরের মাটি দিয়ে ভরাট হয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের মৃত সদস্যদের কবরসহ আশপাশে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবর।

শ্মশানের পুকুর কেটে কবরের ওপর মাটি ফেলায় শামীম ওসমানের দাদা খান সাহেব এম ওসমান আলী, দাদি জামিলা ওসমান, বাবা ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আবুল খায়ের মোহাম্মদ (একেএম) সামসুজ্জোহা, মা ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহা ও বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা একেএম নাসিম ওসমানসহ ওসমানের কবর প্রায় নিশ্চিহ্নের কাছাকাছি। পাশেই একাধিক মুক্তিযোদ্ধাসহ অনেকগুলো সাধারণ কবরের অস্তিত্বই হারিয়ে গেছে।

বিষয়টি নিয়ে চরমভাবে মর্মাহত শামীম ওসমান বলেন, গত ২৭ জুলাই সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর প্রয়াত মা মমতাজ বগমের কবর জিয়ারত করে কবরস্থানে স্বাভাবিক অবস্থা দেখে গেছি। অথচ এরই মধ্যে সিটি কপোরেশনের নিয়োগকৃত ঠিকাদার মামুন মিয়া কবরস্থানের পাশে শ্মশানের পুকুর খননসহ সংস্কার কাজ করতে গিয়ে তার পরিবারের চার সদস্য ও বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধারসহ অন্তত অর্ধশতাধিক কবর ভরাট করে ফেলেছে। কবরস্থানের পশ্চিম দিকে বেশ কিছু জায়গায় ওই মাটি ফেলে ভরাট করায় কবরগুলো কয়েক ফুট নিচে দেবে গেছে। শ্মশানের মাটি কবরগুলোর ওপরে ফেলায় বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার কবরের সাইনবোর্ডও ভেঙে গেছে।

তিনি আরও বলেন, এই অমানুষিক কাজটি যারা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননাসহ ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত করেছে। এ ঘটনার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে।

শামীম ওসমান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সন্তান হিসবে আমি ব্যর্থ যে আমি স্থানীয় সংসদ সদস্য হয়েও বাবা-মায়ের কবরের পবিত্রতা হেফাজত করতে পারিনি। সেই সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরগুলোকে অবমাননার হাত থেকে রক্ষা করতে পারিনি। আপনাদের মা-বাবার কবরে শ্মশানের মরদেহ পোড়া মাটি কেউ ঢেকে দিলে আপনারা কি সহ্য করবেন? একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে তিনি এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে কবরগুলো পূর্বের অবস্থায় ফিরিতে আনতে সেখানে দায়িত্বরতদের ৪৮ ঘণ্টা সময় দেন।

শেয়ার করুন