দুপুরে খাওয়ার পর আলসেমি ?, জেনে রাখুন কি করনীয়

দুপুরে খাওয়ার পর আপনার কি অলস ভাব আসে? অফিসের কাজ শুরু করতে কি কিছুটা আড়ষ্ট বোধ করেন? অথবা কাজ করতেই যেন আর ইচ্ছা করছে না—এমন হয়?

অনেকেই রয়েছেন, যাঁদের দুপুরে খাওয়ার পর এ ধরনের সমস্যা হয়। গবেষণায় বলা হয়, আমরা যখন খাওয়া শুরু করি, শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকে। খাদ্য গ্রহণের পর শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে, এ কারণে শরীরের শক্তি হ্রাস পায় এবং অলসবোধ হতে থাকে। এখানে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কিছু টিপস দেওয়া হলো, যাতে এ ধরনের অলসতা এবং তন্দ্রালু ভাব কেটে যায়।

কিছু ব্যায়াম করুন

দুপুরে খাওয়ার পর কর্মক্ষম থাকতে এবং শক্তি বাড়াতে হালকা ব্যায়াম করুন। একটু হাঁটাহাঁটি বা নড়াচড়া করলে শরীরের রক্তপ্রবাহ বাড়বে। রক্তপ্রবাহের কারণে শরীরে অক্সিজেন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেশিতে পৌঁছে যায়, এতে শক্তি বাড়ে। তাই খাওয়ার পর ডেস্ক থেকে উঠে ১০ থেকে ১৫ মিনিট একটু হেঁটে আসুন বা হালকা ব্যায়াম করুন।

চুইংগাম চাবান

গবেষণায় বলা হয়, ২০ মিনিট চুইংগাম চাবানো মানসিক উত্তেজনাকে ধরে রাখে। এটি শক্তি বাড়ায় এবং ভালো পারফর্ম করতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই চিনিযুক্ত চুইংগাম চাবাবেন না। আর বেশি চুইংগাম চাবালে ত্বক কুঁচকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

গান শুনতে পারেন

আপনি কি জানেন, কাজ করতে করতে গান শুনলে কর্মক্ষমতা অনেক বাড়ে? গবেষকরা বলেন, হালকা ধাঁচের গান শুনলে আপনার মন শিথিল থাকবে এবং ভালো কাজ করতে সাহায্য করবে।

ধীরে কামড়ান

দুপুরের খাবারের পর শক্তি ধরে রাখতে গোগ্রাসে খাবেন না, ধীরে ধীরে খান। গবেষণায় বলা হয়, ছোট ছোট কামড় পরিপাক পদ্ধতিকে ভালো রাখে। এটা শরীরের শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অলস হতে দেয় না।

দুপুরের খাবার বাদ দেবেন না

দুপুরের খাবার বাদ দেওয়া কোনো কাজের কথা নয়। অনেকে কাজের চাপে পড়ে দুপুরের খাবার খান না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, একটানা চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা খালি পেটে থাকা ঠিক নয়। সঠিক সময়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ আপনাকে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রক্ষা করবে এবং শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করবে।

একেবারেই উচিত না

অনেক সময় অজ্ঞতাবশত কিংবা নানান ভ্রান্ত ধারণার কারণে আমরা নিজেদের স্বাস্থ্যের অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলি। বিশেষ করে দুপুরে খাওয়ার পর আমরা এমন কিছু কাজ করি যেগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে প্রতিনিয়ত। জেনে নিন তেমনই কিছু কাজ সম্পর্কে যেগুলো কখনোই করা উচিত না। যেমন আপনি জানেন কি, খাওয়ার পরে চা খেলে শরীর খাবার থেকে আয়রণ গ্রহণ করতে পারেনা? কিংবা খাওয়ার পরপরই গোসল করলে হজমে সমস্যা হয়?

স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা প্রায় সবসময়েই বেশ চিন্তিত থাকি। কোনটায় ভালো হবে, কোনটায় স্বাস্থ্যের ক্ষতি হবে তা নিয়ে আমাদের জানার আগ্রহের শেষ নেই। কিন্তু অনেক সময় অজ্ঞতাবশত কিংবা নানান ভ্রান্ত ধারণার কারণে আমরা নিজেদের স্বাস্থ্যের অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলি। বিশেষ করে প্রতিবেলা খাওয়ার পর আমরা এমন কিছু কাজ করি যেগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে প্রতিনিয়ত। জেনে নিন তেমনই কিছু কাজ সম্পর্কে যেগুলো খাওয়ার পরে কখনোই করা উচিত না।

ধূমপান করা

অনেকেই খাওয়ার পরপরই ধূমপান করে থাকে। ধূমপান খাওয়ার আগে হোক কিংবা পরে হোক, ক্ষতি হবেই। সিগারেটে আছে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান যা মানুষকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। তাই খাওয়ার পরে হোক কিংবা অন্য যেকোন সময়ে হোক, কখনোই ধূমপান করা উচিত না।

চা/কফি খাওয়া

দুপুরে কিংবা রাতে খাওয়ার পরপর অনেকেরই এক কাপ চা না হলে চলে না। যাদের এই অভ্যাস আছে তাঁরা নিজের অজান্তেই নিজের শরীরের ক্ষতি করছেন। চা অ্যান্টি অক্সিডেন্টের ভালো উৎস এবং প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে চা খেলে হৃদপিন্ডের স্বাস্থ্যঝুকি কমে যায়। কিন্তু প্রতিদিন একপেট খাওয়ার পরে চা খাওয়ার অভ্যাসটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। চায়ে আছে পলিফেনল যা সবুজ শাকসবজির আয়রনকে শরীরে গ্রহণ করতে বাধা দেয়। ফলে যাদের শরীরে আয়রনের অভাব আছে তাঁরা খাওয়ার পরে চা খেলে শরীর আয়রণ গ্রহণ করতে পারেনা এবং আয়রণের অভাব পূরণ হয় না। ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। তাই খাওয়ার কমপক্ষে একঘন্টা পরে খাওয়া উচিত।

খাওয়ার ঠিক পরপরই ফল খাওয়া

ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব ভিটামিনই পাওয়া যায় ফলে। কিন্তু ঠিক খাওয়ার পরেই ফল খাওয়া একেবারেই উচিত না। কারণ কলা, কাঠাল ও খেজুর ছাড়া প্রায় প্রতিটি ফলই হজম করতে মোটামুটি ২০ মিনিট সময় লাগে। কিন্তু খাওয়ার ঠিক পরপর ফল খেলে পাকস্থলীতে অন্যান্য খাবারের ভীড়ে ফলের হজমপ্রক্রিয়ায় দেরী হয়ে যায়। এই সময়ে অনেক সময় ফলের মান নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পেটের পীড়া, পেটে গ্যাস, বদহজমজাতীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

খাওয়ার পরপর গোসল করা

ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনেছি খাওয়ার পড়ে গোসল না করে খাওয়ার আগে করতে। কিন্তু কখনো কি জেনেছি এই কথা বলার পেছনের সঠিক কারণটা? হজমপ্রক্রিয়ায় শরীরের প্রচুর শক্তি ক্ষয় হয়। আর এই পুরো প্রক্রিয়াটার জন্য পাকস্থলীতে প্রচুর পরিমাণে রক্তচলাচলের প্রয়োজন হয়। ফলে খাওয়ার পরে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে যায়। কিন্তু গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রায় তারতম্য হয় এবং পুরো প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য রাখতে গিয়ে হজমপ্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের চাইতে কমপক্ষে ২০/৩০ মিনিট বেশি সময় প্রয়োজন হয় খাবার হজম হতে।

খাওয়ার সাথে সাথে হাঁটা

খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে হনহন করে হাটা শুরু করেন। খাওয়ার ঠিক পরপরই জোরে হাটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে হজমপ্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খাওয়ার পরে জোরে না হাটলেও স্বাভাবিকভাবে ঘরের ভেতরের হাটাচলা করতে কোনো সমস্যা নেই। তবে খাওয়ার ৩০ মিনিট পরে কিছুটা সময় হাটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলে জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ক্যারোলিনা এর গবেষকরা।

খেয়েই ঘুমিয়ে পড়া

খাওয়ার পরে যেই কাজটি আপনার শরীরের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর তা হলো ঘুমিয়ে পড়া। খাওয়ার পরে ঘুমিয়ে পড়লে হজমপ্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। সেই সঙ্গে ঘুমে সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি, নাক ডাকা সহ আরো নানান রকমের স্বাস্থ্যঝুকি দেখা দেয়।

দুপুরের খাবার অফিসে?

অনেকেই অফিসে থাকাকালীন মধ্যাহ্নভোজকে তেমন গুরুত্ব দেন না। অনেকে হয়তো কাজ করতে করতে খাবার খান, আবার অনেকে সঠিক সময়ের বাইরে খাবার খান, অনেকে আবার বাইরের খাবার খান। এতে শরীরের কিন্তু বারোটা বেজে যায়। পরে এর ভোগান্তিও পোহাতে হয় তাদের। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে অফিসে দুপুরের খাবার খাওয়ার সঠিক নিয়মের কথা।

বিরতি নিন

কাজ তো করতেই হবে, তবে খাওয়া বাদ দিলে কি চলবে? দুপুরের খাবারের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন। একটি বিরতি নিন। অন্তত ২০ মিনিট রাখুন দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য।

দ্রুত খাবেন না

দ্রুত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা বলেন, খাওয়ার সময় ডেস্কে ঝুঁকে না বসে সোজা হয়ে খান; ধীরে ধীরে খান। খাওয়ার সময় সোজা হয়ে বসা হজমে সাহায্য করে। এটি পেট ফোলা ভাব প্রতিরোধ করে।

ভালো করে চিবিয়ে খান
খাবারকে ভালোভাবে চিবিয়ে খান। ভালো করে চিবিয়ে খেলে খাবার হজমে সুবিধা হয় এবং পেট ফোলা ভাব দূর হয়।

বাইরের খাবার নয়

অনেকেই হয়তো দুপুরের খাবারের জন্য প্রক্রিয়াজাত খাবারকে বেছে নেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারে বেশি চিনি, লবণ ও চর্বি থাকে। এটি বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে। তাই প্রক্রিয়াজাত খাবারকে এড়িয়ে চেষ্টা করুন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে।

স্ক্রিনের সামনে বসে খাবেন না

দি আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক নিউট্রিশনের একটি গবেষণায় বলা হয়, আমরা যখন টিভি বা কম্পিউটারের সামনে বসে খাবার খাই, তখন বেশি খাবার খেয়ে ফেলি। তাই খাবারের প্রতি মনোযোগী হোন।

দুপুরের খাবারের আগে কিছু খান

সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মাঝখানে হালকা কিছু খেয়ে নিন। তবে চর্বিজাতীয় খাবার বা ভাজাপোড়া এড়িয়ে যান। এর বদলে আপেল বা কাঠবাদাম খান।

কফি

বেশি কফি খাওয়া শরীর থেকে মানসিক চাপ তৈরিকারী হরমোন করটিসল নিঃসরণ করে। এটি পরবর্তী সময়ে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। এর বদলে গ্রিন টি খেতে পারেন।

খাওয়ার আগে পানি পান করুন

গবেষণায় বলা হয়, খাওয়ার আগে পানি খেলে কম খাবার খাওয়া হয়। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই খাবার আগে পানি পান করুন।

কী খাব? কতটুকু খাব?

কর্মজীবীদের প্রায় প্রতিদিন এ নিয়ে ভাবতে হয়। অনেকেরই দুপুরে খাওয়ার পর ঘুম পায়। সে কারণে কেউ কেউ দুপুরে খেতে চান না। মনে রাখতে হবে, দুপুরের খাবার সকালের নাশতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। অফিসে সারা দিন কাজের ব্যস্ততায় দুপুরে বেশি ক্ষুধা লাগে। তাই এ সময় খেতে হয় পুষ্টিকর খাবার। এর পরিমাণ এমন হতে হবে, পেট ভরবে, মনও ভরবে; কিন্তু খাওয়ার পর ভারী বোধ হবে না। দিনের বাকি সময়ে কাজ করার জন্য প্রাণশক্তিও ফিরে আসবে। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার জানান, অফিসে নেওয়ার জন্য সহজে বানানো যায়, খাওয়া যায়, খুব বেশি ঘ্রাণ ছড়ায় না, পর্যাপ্ত পুষ্টিমান নিশ্চিত করে—এমন খাবার নির্বাচন করা উচিত। রুচি বাড়ানো বা ঠিক রাখার জন্য একেক দিন একেক খাবার খেতে পারেন। অফিসে শুকনা খাবার নেওয়া ভালো—নেওয়া সহজ, নষ্টও হয় না। খাবারের পর পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। দুপুরে শুধু সালাদ খাওয়া ভালো নয়। কারণ, শুধু সালাদ খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়া যাবে না। যত বিকেল হবে, কাজ করার আগ্রহ তত কমে যাবে। কর্মক্ষেত্রে ভাত অল্প খেলে ভালো। এতে ঘুম-ঘুম ভাব আসবে না।

যেসব খাবার অফিসে খাওয়ার উপযোগী

সাদা ভাত: অনেকেই দুপুরে ভাত না খেয়ে থাকতে পারেন না। আবার কারও কারও দুপুরে ভাতের বদলে অন্য কিছু খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। যাঁরা দুপুরে ভাত ছাড়া অন্য কিছু খেতে পারেন না, তাঁরা অফিসে ভাত অল্প খেতে পারেন। ভাতের সঙ্গে সবজি, মুরগির মাংস কিংবা মাছ খেতে পারেন।

রুটি-সবজি: অফিসের জন্য আরেকটি সুবিধাজনক খাবার হলো রুটি-সবজি। বানাতে খুব বেশি সময়ও লাগে না। ডিম-সবজি হলে ভালো, এতে পুষ্টিমান ঠিক থাকে। এ ছাড়া শুকনা খাবার হওয়ায় খেতে খুব বেশি ঝক্কি-ঝামেলাও পোহাতে হয় না। তেমন তেল-মসলা নেই। তাই খাবারের ঘ্রাণে সহকর্মীদেরও সমস্যা হয় না।

সালাদ: যাঁরা ওজন নিয়ে সমস্যায় আছেন কিংবা সালাদ খেতে ভালোবাসেন, তাঁরা অফিসের খাবারে সালাদের পরিমাণ বেশি রাখতে পারেন। অফিসের খাবারে ভাত, রুটি, নুডলস, ডাল—যা-ই খান না কেন, প্রতিদিনের খাবারে চেষ্টা করবেন সালাদের গুরুত্বটা দিতে। সবজি ফলমূল দিয়ে তৈরি সালাদ আপনি ভাত বা রুটির চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে খাবেন।

অন্যান্য: দুপুরে যাঁরা ভারী খাবার উপেক্ষা করতে চান, তাঁরা আপেল, কমলা, নাশপাতি ইত্যাদি ফল খেতে পারেন। বাসায় তৈরি সবজির স্যুপও খেতে পারেন। আঁশযুক্ত এই সবজি সারা দিনে যে পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল প্রয়োজন, তা পূরণ করে দেবে।
এ ছাড়া ডেজার্ট যেমন কেক, পুডিং, নানা রকম ফলের মিশ্রণে দই দিয়ে তৈরি অফিসে দুপুরের খাবারে খুব সহজেই খেতে পারেন।

কিছু সতর্কতা

১. অফিসে দুপুরের খাবার হিসেবে ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
২. অফিসে শুঁটকি-জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ, এর ঘ্রাণ অনেকেই সহ্য করতে পারেন না। তাই সহকর্মীদের অসুবিধা হতে পারে।
৩. ফল হিসেবে কাঁঠাল অফিসে না আনাই ভালো। কারণ, অনেকেই এর গন্ধ পছন্দ করেন না।
৪. অফিসে খাওয়ার সময় খাবার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা উচিত নয়। খাওয়ার সময় টেবিল কিংবা মেঝেতে খাবার পড়লে সেটা নিজেই পরিষ্কার করে ফেলুন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এই বিভাগের আরো খবর
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: