ঢাকা মেডিক্যালে মৃ’ত সন্তানের মাকে পে’টালেন আনসার সদস্যরা

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনসার সদস্যদের মা’রধ’রে আ’হ’ত হয়েছেন আমির হামজা (৯) নামের এক মৃ’ত শি’শুর মা। মঙ্গলবার (২৩ মা’র্চ) রাতে জ’রুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসারের কক্ষের সামনে এই ঘ’টনা ঘ’টে। মা’রধ’রে আ’হত লিপিকে জ’রুরি বিভাগে চিকিৎ’সা দেওয়া হচ্ছে।

হামজার বাবা মো. লিটন মিয়া বলেন, ‘হাসপাতালের ২০৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল হামজা। সন্ধ্যার দিকে চিকি’ৎসকরা আমা’র ছেলেকে মৃ’ত ঘো’ষণা করেন। আম’রা মনে করেছি, আমাদের সন্তান ম’রেনি। চিকিৎ’সার জন্য তাকে আম’রা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।

জ’রুরি বিভাগের গেট দিয়ে বের হতেই আনসার সদস্যরা বা’ধা দেন এবং চারদিকের গেট আ’টকে দেন। এ নিয়ে তাঁদের স’ঙ্গে আমা’র কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কয়েকজন আনসার সদস্য আমা’র স্ত্রী লিপিকে অ’স্ত্র দিয়ে আঘা’ত করাসহ কিল-ঘুষি মা’রেন।

এমন প’রিস্থিতিতে আমি ছাড়াতে গেলে আমাকেও মা’রধ’র করেন আনসার সদস্যরা।’ আ’হত লিপি আক্তার বলেন, ‘আমা’র ছেলেকে আমি নিয়ে যাব, আনসার সদস্যরা কেন বা’ধা দেবেন? এটা বলাতে তারা আমাকে মা’রধ’র ক’রেছেন। আমি এর বিচার চাই।’

জ’রুরি বিভাগে থাকা কয়েকজন রো’গীর স্বজন বলেন, একজন নারীর গায়ে হাত তুলেছেন আনসার সদস্যরা। এটা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। একে তো তাঁর ছেলে মা’রা গেছে, এমন প’রিস্থিতিতে তাঁর মাথা ঠিক থাকার কথা না।

লিটন মিয়া জা’নান, তাঁদের বাসা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল কুনিপাড়া এলাকায়। তাঁর একমাত্র ছেলে আমির হামজা গত ১৯ মা’র্চ সকালের দিকে পূর্ব নাখালপাড়া এলাকায় একটি কারখানার টিনের ছাদে ঘুড়ি ধ’রতে যায়। সেখানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে প’ড়ে যায়। সেদিনই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আনসার কমান্ডার (পিসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, জ’রুরি বিভাগের মৃ’ত শি’শুর স্বজনদের স’ঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘ’টনা ঘ’টেছে। যদি কোনো আনসার সদস্যদের বি’রুদ্ধে নারীকে মা’রধ’র করার প্রমাণ মেলে, তবে অবশ্যই তাঁদের বি’রুদ্ধে ব্যব’স্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন