ডা. জেনির পাশে দাড়ালেন তথ্যমন্ত্রী

ডা. জেনির পাশে দাড়ালেন তথ্যমন্ত্রী

সারাদেশে লকডাউনের পঞ্চম দিন সড়কে পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়ানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক সাঈদা শওকতের কাছে পরিচয়পত্র চাওয়ার দরকার ছিল না বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সরকারের এই মুখপাত্র বলেছেন, জেনির পেশাগত পরিচয় তার গাড়ি ও তার পোশাকেই ছিল। এখানে পরিচয়পত্র দেখানোর জন্য চাপ দেয়া ছিল অর্থহীন। গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) মিন্টোরোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়ে এসে বিষয়টি নিয়ে ড. হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন।

ডা. জেনির কাছে পরিচয়পত্র চাওয়ার কতটা দরকার ছিল সে প্রশ্ন তুলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একজন ডাক্তার যিনি অ্যাপ্রোন পরে আছেন, যার গাড়িতে দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের স্টিকার আছে, তাকে পরিচয়পত্রের জন্য বারবার চাপ দেয়া কতটা সমীচীন সে প্রশ্ন অনেকেই তুলেছেন।

জেনিকে যখন আটকানো হয়, তখন তার গায়ে চিকিৎসকদের সাদা রঙের অ্যাপ্রোন পরা ছিল। আর সেই অ্যাপ্রোনে তার কর্মস্থল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো লাগানো ছিল। তার গাড়িতেও তার কর্মস্থলের স্টিকার সাঁটানো ছিল।

লকডাউনে পুলিশের সার্বিক চেষ্টারও প্রশংসা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, লকডাউন কার্যকর করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে যত্ন ও কষ্ট করছে, এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

পাশাপাশি দায়িত্বপালনের সময় এটি খেয়াল রাখতে হবে, কেউ যেন হেনস্তা না হয়। চিকিৎসক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মীসহ অনেকে দেশে করোনা মোকাবিলায় প্রথম সারির যোদ্ধা এবং আমাদের অনেক রাজনৈতিক নেতা এ সময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন