টিকা নিয়ে সুখবর দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকা নিয়ে সুখবর দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মানুষের জীবন ও জীবিকার তাগিদেই কঠোর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমরা এখন করোনার দুর্যোগে আছি। পুরো পৃথিবী এই দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে। ৪০ লক্ষাধিক মানুষ মারা গিয়েছে। আমাদের দেশে অন্য দেশের তুলনায় নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, এখন আমাদের স্বাস্থ্যবিধি, টিকা আর মাস্কেই ভরসা করতে হবে।

শনিবার (১৪ আগস্ট) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডা. মিল্টন হলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনায় এ কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সারাদেশে টিকা কার্যক্রম বেগবান করা হচ্ছে। আপনারা মাস্ক পরবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন। জীবন-জীবিকার তাগিদে খুলে দেওয়া হলেও মনে রাখতে হবে জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

টিকা নিয়ে সুখবর দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: আগামী নভেম্বরের মধ্যে কোভ্যাক্সের আওতায় আরও সাত কোটি ডোজ টিকা দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সারাদেশে টিকা কার্যক্রম বেগবান করা হচ্ছে। আপনারা মাস্ক পরবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন। জীবন-জীবিকার তাগিদে সব খুলে দেওয়া হলেও মনে রাখতে হবে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। বাংলাদেশের জন্য করোনার টিকার বড় উৎস হয়ে উঠছে বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স।

এ উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশ করোনার টিকা পেতে যাচ্ছে। কোভ্যাক্সের আওতায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৮৯ লাখ টিকা পেয়েছে। সর্বশেষ চালান হিসেবে চীন সরকারের উপহারের আরও ১০ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে। এ নিয়ে চীন সরকারের উপহারের ২১ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় টিকা বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার চীন থেকে কোভিড টিকা ও সিরিঞ্জ নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রাহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান প্রমুখ।

শেয়ার করুন