জাপানে যাওয়ার কথা ছিল মিরপুরে নিখোঁজ তিন ছাত্রীর

জাপানে যাওয়ার কথা ছিল মিরপুরে নিখোঁজ তিন ছাত্রীর

বাসা থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার ও শিক্ষা সনদ নিয়ে ‘পা’লিয়ে যাওয়া’ রাজধানীর মিরপুরের তিন কলেজছাত্রীর স’ন্ধান মেলেনি এখনো। প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে তারা স্বে’চ্ছায় ঘর ছেড়েছে। কিন্তু তাদের অবস্থান সম্পর্কে এখনো সুনির্দি’ষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে এ ঘটনায় তরিকুল ও তার ভাই রাকিবুল এবং অয়ন নামে তিন জনকে আ’টকের পর জিজ্ঞাসাবাদে মিলেছে চাঞ্চ’ল্যকর তথ্য। জিজ্ঞাসাবাদে তরিকুল পুলিশকে জানিয়েছে, ঐ তিন ছাত্রীর জাপানে যাওয়ার কথা ছিল। তবে কোন চ’ক্রের মাধ্যমে তারা দেশ ছাড়তে চেয়েছিল সেটি জানতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তারা দেশ ত্যা’গ করতে পেরেছে কি না তাও নিশ্চিত নয় আইনশৃ’ঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে কলেজ পড়ুয়া ঐ তিন শিক্ষার্থীর খোঁ’জে পুলিশের সঙ্গে সরকারের একাধিক সং’স্থা মাঠে নেমেছে। পল্লবী থানায় ভু’ক্তভো’গী তিন শিক্ষার্থীর পরিবারের দেওয়া অভি’যোগ শনিবার (২ অক্টোবর) রাতে মাম’লা হিসেবে অন্তর্ভু’ক্ত করেছে পুলিশ। ঐ তিন মেয়ের বর্তমান অবস্থান সম্প’র্কে নিশ্চিত হতে থানা পুলিশের সঙ্গে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), পুলিশের অপরা’ধ তদ’ন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও র‍্যাপিড অ্যা’কশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব) পৃথকভাবে কাজ করছে।

পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তরিকুল জানিয়েছে, ১২-১৩ দিন আগে নি’খোঁজ শিক্ষার্থীদের জাপানে যাওয়ার কথা শুনেছিল সে। কিন্তু কার মাধ্যমে কীভাবে তারা জাপানে যাবেন, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি তরিকুল। অন্য দুজনের কাছ থেকে তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে থানা পুলিশ ও অন্য কয়েকটি সংস্থা মিলে সর্বো’চ্চ গুরু’ত্ব দিয়ে ঐ ছাত্রীদের উ’দ্ধারে’র চেষ্টা করে যাচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ঐ ছাত্রীরা দেশ ছেড়েছেন, এমন কোনও তথ্য আমরা পাইনি।

নি’খোঁজ হওয়া তিন জনের মধ্যে এক জনের মা পল্লবী থানায় দা’য়ের করা অভি’যোগের বিষয়ে বলেন, আমি আমার মেয়েসহ তিন জনের স’ন্ধান চাই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শর’ণাপ’ন্ন হয়েছি। তারা এ বিষয়টি দেখভাল করছেন। আমার সন্তান যেন ফিরে আসতে পারে, সে আশায় রয়েছি। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় জিনিয়া, তরিকুল ও রাকিবুল আমার মেয়ে ও তার দুই বান্ধবীকে বিদেশ যাওয়ার প্র’লোভ’ন দেখায়।

সেই প্র’লোভ’নে পড়েই তারা বাসা থেকে বের হয়ে যায়। যাওয়ার সময় আমার মেয়ে ৬ লাখ টাকা, মেয়ের এক বান্ধবী তার বাসা থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ ও আরেক বান্ধবী ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। আ’সামি তিন জনের মধ্যে জিনিয়া টি’কটকে পরিচিত মুখ, আর তরিকুল ও রাকিবুল আপন দুই ভাই।

শেয়ার করুন