জাতীয় দলে সবচেয়ে বেশি বেতন পাচ্ছেন মুশফিক

জাতীয় দলে সবচেয়ে বেশি বেতন পাচ্ছেন মুশফিক

জাতীয় দলে ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ উপাধি তার। দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ক্রিকেটারও তিনি। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে তিন সংস্করণ মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার। সেই মুশফিকই জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নতুন বেতনের চুক্তিতে সবচেয়ে বেশি বেতন পাচ্ছেন। ২০২০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তিতে মাসে সর্বোচ্চ ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা বেতন পেয়ে এসেছেন তিনি।

ম্যাচভিত্তিক সর্বোচ্চ পয়েন্টের জন্য নতুন চুক্তিতেও টাকার অঙ্কে মুশফিকই সবার ওপরে আছেন বলে জানা গেছে। এবার খেলোয়াড় ভেদে ১৫ থেকে ৩৫ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছে, তাই প্রাপ্তিও বাড়ছে তাঁর। এই চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে মুশফিক যা পাবেন, সে অঙ্কটি সাত-আট লাখ টাকার মধ্যে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে এবার কেন্দ্রীয় চুক্তি ২৪ ক্রিকেটারের। তবে তিন ফরম্যাটেই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পেয়েছেন এমন খেলোয়ারের সংখ্যা মাত্র ৫ জন। বুধবার রাতে এ খেলোয়াড় তালিকা ঘোষণা করেছে বিসিবি। এবারের কেন্দ্রীয় চুক্তিটা একটু ভিন্ন, আছে নতুনত্ব। আগেরবার চুক্তি হয়েছিল লাল ও সাদা বলে। আর এবার টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি- তিন ফরম্যাটে পাঁচটি ভাগে মোট ২৪ ক্রিকেটারকে আলাদা করে চুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে টেস্টে ১৪, ওয়ানডেতে ১২ আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১৫ জনকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রাখা হয়েছে।

ছয়জন ক্রিকেটার যেমন আছেন শুধুই টি-টোয়েন্টির চুক্তিতে। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টির চুক্তিতে মাহমুদউল্লাহ আর মুস্তাফিজুর রহমানসহ আছেন চারজন। টেস্ট অধিনায়ক মমিনুল হককে নিয়ে ছয়জন আছেন শুধু এই সংস্করণের চুক্তিতে। টেস্ট আর ওয়ানডের চুক্তিতে তামিম ইকবালের সঙ্গী আরো দুজন। আর সব সংস্করণের চুক্তিতে মুশফিক, সাকিব আল হাসান ও লিটন কুমার দাসের সঙ্গে আছেন তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামও।

এ বছরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত বাঁহাতি পেসার শরীফুলের সব সংস্করণেই জায়গা করে নেওয়ার যুক্তি তাঁর মধ্যে দেখা যাওয়া ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। তাঁর মতো এই প্রথম যাঁরা চুক্তিতে এসেছেন, তাঁদের ‘রুকি’ বা নবাগত হিসেবেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের প্রধান আকরাম খান।

এবার চুক্তিতে ভিন্নতা আনার ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের মধ্যে সব সংস্করণে জায়গা করে নেওয়ার তাগিদ বাড়ানোর ভাবনাও ভূমিকা রেখেছে বলে জানালেন আকরাম, ‘এবার আমরা পার্থক্য রেখেছি পারফরম্যান্স (বাড়ানোর) জন্য। যেন খেলোয়াড়দের মধ্যে ওই জিনিসটা কাজ করে (সব সংস্করণের দলে জায়গা পাওয়ার জন্য পারফরম করার)। টি-টোয়েন্টি থেকে কেউ যদি টেস্টেও যায়, তাহলে বেতনও অনেক বেশি। এমনকি ওয়ানডেতে গেলেও বেশি। তাই এই পার্থক্যটি আমরা জেনে-বুঝেই করেছি, যাতে খেলোয়াড়রা পারফরম করে অন্য ফরম্যাটেও চলে আসতে পারে।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *