কোথাও গেলে একসঙ্গে তিনজন, মৃ’ত্যুও একসঙ্গে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলের সং’ঘর্ষে আ’হত আরও একজনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এ নিয়ে তিন জনের মৃ’ত্যু হলো। নি’হত ওই তিনজনই বন্ধু ছিল বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থা’না পু’লিশের ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মো. শাহ’জালাল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজে’লার ইস’লামপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নি’হত ব্যক্তিরা হলেন, বিজয়নগর উপজে’লার বুধন্তি ইউনিয়নের বীরপাশা গ্রামের আলফাজ মিয়ার ছে’লে অন্তর মিয়া (১৮), কেনা গ্রামের নান্নু মিয়ার ছে’লে রবিউল ইস’লাম (২১) ও একই ইউনিয়নের শ্যাম’রা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছে’লে আনন্দ ইস’লাম (২২)।

জানা গেছে, বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলে অন্তর, রবিউল ও আনন্দ হবিগঞ্জের মাধবপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। ইস’লামপুর এলাকায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সং’ঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই অন্তর ও রবিউল নি’হত। এ সময় আনন্দ আ’হত হন। পরে সংবাদ পেয়ে পু’লিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ম’রদেহ ও আ’হত ব্যক্তিকে উ’দ্ধার করে।

এদিকে আনন্দকে প্রথমে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ৮টার দিকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথে বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে আনন্দ মা’রা যায়। নি’হতরা সবাই মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দীন জানান, নিবিড় আহমেদ ওরফে অন্তর, রবিউল ইস’লাম ও আনন্দ আহমেদ ওরফে আবির তিন বন্ধু। একসঙ্গে পড়াশোনা করত তারা। ঘোরাফেরাও করত একসঙ্গে। কি কপাল ওদের একসঙ্গে মা’রাও গেল।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থা’না পু’লিশের ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মো. শাহ’জালাল আলম বলেন, পরিবারের অ’ভিযোগ না থাকায় ম’রদেহ ময়নাত’দন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘ’টনার পর পু’লিশ পিকআপ ভ্যানটিকে আ’ট’ক করেছে। তবে এর আগেই পিকআপ চালক পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।