করোনাভাইরাস: সুস্থ থাকতে যে ১০টি খাবার এড়িয়ে চলবেন

বিশ্বব্যাপী নিজের ভয়াল থাবা বসিয়েছে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯। এরইমধ্যে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে দেশে চলছে লকডাউন। ঘরবন্দি এই সময়ে ফাস্টফুড কালচারে অভ্যস্ত হয়ে পড়া এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে শরীরে জেঁকে বসতে পারে নানা রোগবালাই। কাজেই সুস্থ থাকতে হলে বাদ দিন অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আর কিছু খাবার অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।

১. রীফাইনড কার্বোহাইড্রেটস

প্রথমেই আপনাকে যা করতে হবে সেটি হলো, প্রতিদিনের ডায়েট থেকে রীফাইনড কার্বোহাইড্রেটস সরিয়ে ফেলে খোসা সমেত শস্যদানা খান। যেসব খাবারে যথেষ্ট পরিমাণে কার্বোহাইড্রেটস থাকে, এসব খাবার রক্তের শর্করার এবং উচ্চ রক্তচাপ পরিচালনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।

২. রেড মিট

খাসির মাংস ও গরুর মাংস ছেড়ে মুরগির মাংস বা হাঁসের মাংস খেতে পারেন। এসব খাবার আপনার অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করবে। চর্বিহীন মাংস আপনার শরীরের ওজন কমানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রোটিনের মাত্রাও বাড়ায়।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংস

প্রক্রিয়াজাত মাংসে সোডিয়ামের মাত্রা বেশি থাকে এবং আপনার রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই করোনার দুঃসময়ে খাদ্যে এই ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪. ট্রান্স ফ্যাট

চিপস, তেলেভাজা জাতীয় খাদ্যে লবণ ও ট্রান্স ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি। তাই এই ধরনের খাবার না খাওয়াই ভালো। ফাস্ট ফুড, চীজযুক্ত পাস্তা, নুডলস বা যে কোনও রেডিমেড খাবারেই ট্রান্স ফ্যাট প্রচুর পরিমাণে থাকে। তাই সুস্থ থাকতে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন।

৫. রিফাইন চিনি

শরীরে চর্বি জমার অন্যতম কারণ রীফাইনড চিনি। তাই অতিরিক্ত ওজনের মানুষেরা এসব খাবার থেকে দূরে থাকায় শ্রেয়। আর পরিমাণের অতিরিক্ত চিনি খাওয়া যাবে না।

৬. জাঙ্ক ফুড

অতিরিক্ত চর্বির অন্যতম কারণ হলো জাঙ্ক ফুডের নেশা। সপ্তাহে একবার বার্গার বা ভাজাভুজি খাওয়া যেতেই পারে। তবে তা যেন আপনার প্রতিদিনের রুটিনে পরিণত না হয়। যে কোনও অতিরিক্ত ওজনের মানুষের উচিত এসব খাবার ত্যাগ করে তাজা ফল-সবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৭. কোলা

কোলা ছাড়া যাদের একদিনও চলে না, তারা বয়সের ঘড়িটায় চোখ বুলিয়েছেন কি? করোনার এই সময়ে খাদ্যতালিকা ও খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। কোলা তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ক্যান্সার উৎপাদনকারী উপকরণ। তাছাড়া এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে চিনি।

৮. চাষ করা মাছ

বাজারে ৭০ শতাংশ মাছ আসে চাষের। এসব মাছ দ্রুত বড় করতে যেসব খাবার খাওয়ানো হয়, সেসবের অধিকাংশ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে নদীর কিংবা সামুদ্রিক মাছ খাওয়া ভালো।

৯. কাঁচা খাবার

রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি কাঁচা খাওয়া যায় এমন কিছু খাবারও রাখতে হবে তালিকায়। প্রতিদিন কিছুটা কাঁচা খাবার খাবেন। তবে তা খাওয়ার আগে অবশ্যই খুব ভালো করে ধুয়ে নেবেন।

১০. সালাদ ড্রেসিং

সালাদে ব্যবহার করা ‘ড্রেসিং’ সালাদকে সুস্বাদু করে তোলে৷ বোতলজাত ড্রেসিংয়ে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম, অলিভ অয়েল ও ভিনেগার যোগ করা হয়। যা অসুস্থ ব্যক্তিদের শারীরিক ঝুঁকি বাড়ায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এই বিভাগের আরো খবর
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: