আপনি কি আগেই করো’নায় আক্রা’ন্ত হয়েছেন? যেসব ল’ক্ষণে বুঝবেন

করো’না ভা’ই’রাস মহামা’রী আমাদের ঘাড়ের উপর বোঝা হয়ে চে’পে আছে। এর কারণে আম’রা সারাক্ষণ আত’ঙ্কিত বোধ করছি। সামান্য কাশি কিংবা জ্বর হলেও ভাবছি, করো’না ভা’ই’রাস নয়তো!

অনেকেই এই ভা’ই’রাসে আক্রা’ন্ত হলেও তেমন কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না। আবার করোনাভা’ই’রাসে আক্রা’ন্তের সব লক্ষণ স’স্পর্কে এখনও জা’না সম্ভব হয়নি। তবে বেশ কয়েকটি লক্ষণ স’স্পর্কে জা’না সম্ভব হয়েছে। এই লক্ষণগুলো অনেকের ক্ষেত্রেই হালকাভাবে দেখা যেতে পারে।

যাদের রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা ভালো, তাদের ক্ষেত্রে এই রো’গের তীব্রতা খুব বেশি দেখা দেবে না। এমনটা হতেই পারে যে অজান্তেই আপনি ইতিমধ্যেই করো’না ভা’ই’রাসে আক্রা’ন্ত হয়ে সু’স্থও হয়ে গেছেন। কী’ভাবে বুঝবেন আপনি আক্রা’ন্ত হয়েছিলেন?

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের আগেই যে করো’না ভা’ই’রাস ছ’ড়িয়েছিল তা প্রমাণ করার কোনো উপায় না থাকলেও, এমনটা হতে পারে আপনি আপনি সংক্র’মণ ের শি’কার হয়েছিলেন। এর বি’রুদ্ধে লড়াই করার জন্য শক্ত প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা থাকায় সু’স্থ হয়েছেন এবং পাশাপাশি অ্যান্টিবডিগুলোও বিকাশ করেছে। অথবা, এটিও সম্ভব হতে পারে যে ভা’ই’রাসটি আপনাকে আ’ক্রমণ করেছিল আর এটি একটি ক্ষ’তিকারক মিউটেশন ছিল, তাই এটি এতটা সংক্রামক ছিল না। কয়েকটি লক্ষণ স’স্পর্কে জে’নে নিন যা দেখে বোঝা যাবে আপনি ইতিমধ্যেই করো’না ভা’ই’রাসে আক্রা’ন্ত হয়েছেন-

সর্দিজ্বর এবং নাক ব’ন্ধ থাকা: ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে চুলকানি বা সর্দির স’মস্যা বা দীর্ঘস্থায়ী অ্যালার্জি হওয়া খুব সাধারণ বিষয়। যাইহোক, এই সময়ে করো’না ভা’ই’রাসের লক্ষণগুলোর স’ঙ্গে আপনার লক্ষণগুলো ভালো’ভাবে তুলনা করা গু’রুত্ব পূর্ণ। আপনার কি সর্দি বা নাকব’ন্ধ ভাবের কারণে হ’ঠাৎ করে শ’রীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল বা শুকনো, তীব্র কাশি হয়েছিল? তবে এটি সাধারণ ফ্লু না হয়ে করো’না ভা’ই’রাস সংক্র’মণ ছিল এমনও হতে পারে।

গন্ধ বা স্বাদের অনুভূতি ছিল না?: সাধারণত সর্দির কারণে কারো নাক ব’ন্ধ হয়ে গেলে এমন অনুভূতি হতে পারে। তবে করো’না ভা’ই’রাসের যেসব লক্ষণ স’স্পর্কে জা’না গেছে, তার মধ্যে এটি একটি। বয়সে তরুণ রো’গীদের কাশি এবং জ্বরের মতো উল্লেখযোগ্য লক্ষণ নাও থাকতে পারে তবে তারা কেবল গন্ধ এবং স্বাদের অনুভূতি হারাতে পারে। এতে বোঝা যায় যে এই ভা’ই’রাসগুলো নাকের মধ্যে অব’স্থান করছে।

মা’থাব্য’থা: ঠান্ডা লা’গা থেকেও মা’থাব্য’থা হতে পারে। তবে মা’থার চারপাশে প্রচন্ড ব্য’থাও করো’না ভা’ই’রাসের লক্ষণ হতে পারে। সাইটোকাইনগুলোর উৎপাদনের ফলে তীব্র মা’থাব্য’থা হতে পারে। এটি রো’গ প্র’তিরো’ধ ব্যব’স্থা ভা’ই’রাসের আ’ক্রমণ প্র’তিরো’ধের জন্য প্র’স্তুত হওয়ার সাথে সাথে ঘটতে পারে।

নিঃশ্বা’স নিতে স’মস্যা: করো’না ভা’ই’রাসের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো নিঃশ্বা’স নিতে স’মস্যা। ভা’ই’রাস যা সংক্র’মণ ের কারণে এসএআরএস-এনসিওভিটি আপার শ্বা’সযন্ত্রের ট্র্যাক্ট আ’ক্রমণ করে এবং ফু’সফুসের চারপাশের রেখাগুলোকে ক্ষ’তিগ্রস্থ করে। ফলে এটি তীব্র শ্বা’সক’ষ্টের কারণ হয়। যা শুষ্ক কাশি, শ্বা’সক’ষ্ট, হার্টের স’মস্যা বাড়িয়ে তোলে। যার ফলে সংক্র’মণ ের চূড়ান্ত পর্যায়ে কেউ কেউ সঠিকভাবে শ্বা’স নিতে অ’সুবিধা বোধ ক’রতে পারে।

পায়ের পাতা ফুলে যাওয়া: এটি শি’শুদের আক্রা’ন্ত হওয়ার অন্যতম লক্ষণ হিসেবে বলা হয়েছে। তবে বড়দের ক্ষেত্রেও এমন লক্ষণ দেখা গেছে। এমনটি হলে তা করো’না ভা’ই’রাসে হালকা আক্রা’ন্ত হওয়ার লক্ষণ। সংক্র’মণ টি ঘ’টে যখন র’ক্ত প্রবাহ বাঁ’ধাগ্রস্ত হয় এবং র’ক্ত জমাট বাঁধে বা ত্বকে ক্ষ’ত সৃষ্টি করে। এরকমটা হয়ে সেরে গেছে মানে আপনি ইতিমধ্যেই করো’না য় আক্রা’ন্ত হয়ে সু’স্থ হয়েছেন।

মা’থা ঘোরা: করো’না ভা’ই’রাসের কারণে নিউরোলজিকাল স’মস্যা দেখা দিতে পারে এবং এতে আপনি অস্থির এবং দু’র্বল বোধ ক’রতে পারেন। যখন শ’রীর ডিহাইড্রেট হয় বা পুষ্টি কম থাকে তখন অস্বস্তি বোধ করা, ক্লান্ত বা হালকা মা’থাব্যাথা অনুভূত হতে পারে। তবে এটি করো’না ভা’ই’রাসে আক্রা’ন্ত হওয়ার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি।

পিংক আই: ভা’ই’রাসটি চোখের তরল হয়ে চোখকেও প্র’ভাবিত ক’রতে পারে। করো’না ভা’ই’রাস পজিটিভ হিসাবে পাওয়া অনেকের মধ্যে পিংক আই লক্ষ করা গেছে। একটি সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো কোনো রো’গী পিংক আই’র স’মস্যায় ভুগতে পারে। এই স’মস্যা বেশ গু’রুতর।

ঠান্ডা এবং জ্বরের স’ঙ্গে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল স’মস্যা: হ’ঠাৎ ফ্লুতে আক্রা’ন্ত হওয়া ঠান্ডা, কাশি, জ্বর, দু’র্বলতা এবং ক্লান্তি দ্বারা চি’হ্নিত করা হলেও নতুন এই ভা’ই’রাস হ’জ’ম ব্যব’স্থায়ও প্র’ভাব ফেলতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য বমিভাব বা ডায়রিয়া অ’নুভব করা মোটামুটি সাধারণ বিষয়, এমনকি অনেকে জ্বরে আক্রা’ন্ত হওয়ার আগে পে’টের স’মস্যায় ভো’গেন।

পেশী ব্য’থা: সেন্টার অফ ডিজিজ ক’ন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এর মতে, করো’না ভা’ই’রাস শ’রীরকে একের চেয়ে বেশি উপায়ে প্র’ভাবিত করে এবং একাধিক লক্ষণ একইসাথে আপনাকে আ’ঘা’ত করলে এটি শ’ক্তি হ্রাস ক’রতে পারে। অ’তএব, র’ক্ত প্রবাহ হ্রাসের কারণে পেশী ব্য’থা অনুভূত হওয়া করো’না ভিরের সাধারণ লক্ষণ হতে পারে।

ত্বকের স’মস্যা: ত্বকে লাল, গোঁড়া ফুসকুড়ি করো’না ভা’ই’রাস সংক্র’মণ ের অন্যতম স্বীকৃত লক্ষণ হিসাবেও অ’ভিহিত করা হয়। চুলকানি বা ত্বকের র‌্যাশ ওঠা বা হামের মতো স’মস্যা দেখা দিলে তা করো’না ভা’ই’রাসের লক্ষণ হতে পারে।

শীত অনুভূত হওয়া: গরমের সময় যদি তীব্র শীত অ’নুভব করেন তবে তা হতে পারে করোনাভা’ই’রাসের লক্ষণ। অকারণে তীব্র কাঁপুনিসহ শীত অনুভূত হওয়া করেনাাভা’ই’রাসের লক্ষণ। শ’রীরে অক্সিজে’নের মাত্রা কমে গেলে তীব্র কাঁপুনি, ঠোঁট এবং ত্বক নীলচে হতে পারে।

শেয়ার করুন