অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী

অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী

বেলা ১১টা। খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের ছাত্রীদের কমন রুমে হঠাৎ শোনা যায় নবজাতকের কান্না! ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সদ্যজাত নবজাতককে মেঝেতে রেখেই পালিয়েছে মা।খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিক উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রফিক উদ্দিন বলেন, সোমবার ২০২১ শিক্ষাবর্ষের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট জমা নেয়ার নির্ধারিত দিনে অনেক শিক্ষার্থী এসেছিল। ছাত্রীদের কমন রুমের টয়লেটে নবজাতকের কান্না শুনে শিক্ষার্থীরা খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

খাগড়াছড়ি শহর সমাজসেবা কেন্দ্রের পরিচালক নাজমুল আহসান জানান, কলেজের টয়লেটে নবজাতকের কান্না শুনে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে আসা কোনো শিক্ষার্থীই এই সদ্যজাতের মা।

এ ঘটনায় খাগড়াছড়ি সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তাকে নবজাতক পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কোনো অভিভাবক চাইলে শিশুটিকে দত্তক নিতে পারবে।

—————————————————————————————–

খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের টয়লেট থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতক কন্যা সন্তানকে ফেলে পালিয়েছে মা। টয়লেটের ভেতরে হঠাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে ওই নবজাতকের খোঁজ পান এক কর্মচারী। পরে কলেজের টয়লেট থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নিয়ে আসে কলেজ কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিক উদ্দীন বলেন, সোমবার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে অনেক শিক্ষার্থী কলেজে আসেন। এসময় ছাত্রীদের কমন রুমের টয়লেটে নবজাতকের কান্না শুনে এক কর্মচারী আমাদের খবর দেয়। খবর পেয়ে আমরা নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করি।

খাগড়াছড়ি শহর সমাজসেবা অফিসার মো. নাজমুল হাসান জানান, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের টয়লেট থেকে এক নবজাতক কন্যাশিশু পাওয়া গিয়েছে, এমন সংবাদ পাওয়ার পরপরই আমরা জেলা হাসপাতালে এসেছি। শিশুটি আপাতত সুস্থ আছে। তবে এখন পর্যন্ত শিশুটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় নিশ্চিত না হলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় নবজাতকটিকে দত্তক দেয়া হবে।

এ ব্যাপারে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ রিপেল বাপ্পি জানান, প্রথমে শিশুটিকে মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে সেখান থেকে সদর হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। শিশুটি মোটামুটি সুস্থ এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রশীদ খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের কয়েকজন শিক্ষক সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ আছে। আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থার গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *