অশ্লীলতা বন্ধে কাশবন পুড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী

অশ্লীলতা বন্ধে কাশবন পুড়িয়ে দিলেন এলাকাবাসী

শরৎকালের অন্যতম সৌন্দর্য কাশবন। আর এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে কাশবনে ছুটে যাচ্ছেন অনেকেই। তবে একদল মানুষ কাশবনের আড়ালে অশ্লী’ল কর্মকা’ণ্ডে লিপ্ত হচ্ছেন। অশ্লী’লতার অ’ভিযোগে সিলেটের গো’লাপগঞ্জের চৌঘরী এলাকার কাশবন পুড়িয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে কাশবনে আ’গুন ধরিয়ে দেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, কাশবনের আড়ালে অশ্লীল কাজ হয়। তাই তারা কাশবনটি পুড়িয়ে দিয়েছেন। সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত এই কাশবন গত কয়েকদিন ধরে পর্যট’কদের পদভা’রে মুখোর ছিল। প্রাকৃতিকভাবেই গড়ে ওঠা এই কাশবন দেখতে প্রতিদিন শতশত মানুষ বেড়াতে আসতেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাশবনের ছবি ছড়িয়ে পড়লে সেখানে দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়ে যায়। কাশবনটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো কর্তৃপক্ষ না থাকায় প্রায়ই দর্শনার্থীদের মধ্যে কথা কা’টাকাটির ঘটনা ঘটতো। গতকালও স্থানীয়দের সঙ্গে দর্শনার্থীদের কথা কা’টাকাটির ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কয়েকজন জানান, ছুটির দিন কাশবনে হাজারো মানুষের আগমন ঘটে। তবে কাশবনের সৌন্দর্য দেখার নাম করে অনেকেই এলাকায় অশ্লীল-অসামাজিক কর্মকা’ণ্ড করছেন। এখানে মা’রামা’রির ঘটনাও ঘটছে। যেকোনো সময় বড় ধরণের অ’প্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারে। এসব দিক বিবেচনায় কাশবনে আ’গুন দেয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে গো’লাপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ফারুক আহম’দ বলেন, কে বা কারা কাশবনে আ’গুন দিয়েছে সেটা জানা যায়নি। এ ব্যাপারে স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কারা আ’গুন দিয়েছে সেটি জানা যায়নি। গো’লাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান ক্বাসিমী বলেন, শুনেছি কাশবন দেখতে প্রতিদিন অনেক মানুষ ভিড় করতো। কিন্তু হঠাৎই কাশবনে আ’গুন দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে এ বিষয়টি নিয়ে আমা’র আর জানা নেই।

গো’লাপগঞ্জ উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মো. গো’লাম কবির বলেন, কাশবন দেখতে দর্শনার্থীরা ভিড় করতো। কাশবনটি পুড়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। কাশবনটি ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গায় রয়েছে। যদি কাশবনটি সরকারি জায়গায় হতো তাহলে সেটি পর্যটন স্পটে রূপান্তর করা যেত।

শেয়ার করুন